![]()
![]()
৩৮: ১ صٓ وَ الۡقُرۡاٰنِ ذِی الذِّكۡرِ ؕ﴿۱﴾
![]()
সোয়াদ; কসম উপদেশপূর্ণ কুরআনের।
৩৮: ২ بَلِ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا فِیۡ عِزَّۃٍ وَّ شِقَاقٍ ﴿۲﴾

বস্তুত কাফিররা আত্মম্ভরিতা ও বিরোধিতায় রয়েছে।
৩৮: ৩ كَمۡ اَهۡلَكۡنَا مِنۡ قَبۡلِهِمۡ مِّنۡ قَرۡنٍ فَنَادَوۡا وَّ لَاتَ حِیۡنَ مَنَاصٍ ﴿۳﴾
![]()
তাদের পূর্বে আমি কত প্রজন্মকে ধ্বংস করেছি; তখন তারা আর্তচিৎকার করেছিল, কিন্তু তখন পলায়নের কোন সময় ছিল না।
৩৮: ৪ وَ عَجِبُوۡۤا اَنۡ جَآءَهُمۡ مُّنۡذِرٌ مِّنۡهُمۡ ۫ وَ قَالَ الۡكٰفِرُوۡنَ هٰذَا سٰحِرٌ كَذَّابٌ ۖ﴿ۚ۴﴾

আর তারা বিস্মিত হল যে, তাদের কাছে তাদের মধ্য থেকেই একজন সতর্ককারী এসেছে এবং কাফিররা বলে, ‘এ তো যাদুকর, মিথ্যাবাদী’।
৩৮: ৫ اَجَعَلَ الۡاٰلِهَۃَ اِلٰـهًا وَّاحِدًا ۚۖ اِنَّ هٰذَا لَشَیۡءٌ عُجَابٌ ﴿۵﴾

‘সে কি সকল উপাস্যকে এক ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে? নিশ্চয় এ তো এক আশ্চর্য বিষয়’!
৩৮: ৬ وَ انۡطَلَقَ الۡمَلَاُ مِنۡهُمۡ اَنِ امۡشُوۡا وَ اصۡبِرُوۡا عَلٰۤی اٰلِهَتِكُمۡ ۚۖ اِنَّ هٰذَا لَشَیۡءٌ یُّرَادُ ۖ﴿ۚ۶﴾

আর তাদের প্রধানরা চলে গেল একথা বলে যে, ‘যাও এবং তোমাদের উপাস্যগুলোর উপর অবিচল থাক। নিশ্চয় এ বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত’।
৩৮: ৭ مَا سَمِعۡنَا بِهٰذَا فِی الۡمِلَّۃِ الۡاٰخِرَۃِ ۚۖ اِنۡ هٰذَاۤ اِلَّا اخۡتِلَاقٌ ۖ﴿ۚ۷﴾
![]()
আমরা তো সর্বশেষ ধর্মে এমন কথা শুনিনি*। এটা তো বানোয়াট কথা ছাড়া আর কিছু নয়।
৩৮: ৮ ءَ اُنۡزِلَ عَلَیۡهِ الذِّكۡرُ مِنۡۢ بَیۡنِنَا ؕ بَلۡ هُمۡ فِیۡ شَكٍّ مِّنۡ ذِكۡرِیۡ ۚ بَلۡ لَّمَّا یَذُوۡقُوۡا عَذَابِ ؕ﴿۸﴾

‘আমাদের মধ্য থেকে তার উপরই কি কুরআন নাযিল করা হল’? বরং তারা আমার কুরআনের ব্যাপারে সন্দেহে রয়েছে। বরং তারা এখনও আমার আযাব আস্বাদন করেনি।
৩৮: ৯ اَمۡ عِنۡدَهُمۡ خَزَآئِنُ رَحۡمَۃِ رَبِّكَ الۡعَزِیۡزِ الۡوَهَّابِ ۚ﴿۹﴾
![]()
তাদের কাছে কি তোমার রবের রহমতের ভান্ডার রয়েছে যিনি মহাপরাক্রমশালী, অসীম দাতা।
৩৮: ১০ اَمۡ لَهُمۡ مُّلۡكُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ وَ مَا بَیۡنَهُمَا ۟ فَلۡیَرۡتَقُوۡا فِی الۡاَسۡبَابِ ﴿۱۰﴾

অথবা আসমান ও যমীন এবং এ দু’য়ের মধ্যে যা আছে তার মালিকানা কি তাদের? তাহলে তারা আরোহণ করুক (আসমানে উঠার) কোন উপায় অবলম্বন করে।
৩৮: ১১ جُنۡدٌ مَّا هُنَالِكَ مَهۡزُوۡمٌ مِّنَ الۡاَحۡزَابِ ﴿۱۱﴾

এ বাহিনী তো সেখানে* পরাজিত হবে (পূর্ববর্তী) দলসমূহের মত।
৩৮: ১২ كَذَّبَتۡ قَبۡلَهُمۡ قَوۡمُ نُوۡحٍ وَّ عَادٌ وَّ فِرۡعَوۡنُ ذُو الۡاَوۡتَادِ ﴿ۙ۱۲﴾

তাদের পূর্বেও অস্বীকার করেছিল নূহের কওম, আদ ও বহু অট্টালিকার অধিপতি ফির‘আউন,
৩৮: ১৩ وَ ثَمُوۡدُ وَ قَوۡمُ لُوۡطٍ وَّ اَصۡحٰبُ لۡـَٔیۡكَۃِ ؕ اُولٰٓئِكَ الۡاَحۡزَابُ ﴿۱۳﴾

সামূদ, কওমে লূত ও আইকার অধিবাসীরা। এরাই ছিল (নবীদের বিরুদ্ধাচরণকারী) দলসমূহ
৩৮: ১৪ اِنۡ كُلٌّ اِلَّا كَذَّبَ الرُّسُلَ فَحَقَّ عِقَابِ ﴿۱۴﴾

প্রত্যেকেই তো রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল। ফলে আমার আযাব অবধারিত হয়েছিল।
৩৮: ১৫ وَ مَا یَنۡظُرُ هٰۤؤُلَآءِ اِلَّا صَیۡحَۃً وَّاحِدَۃً مَّا لَهَا مِنۡ فَوَاقٍ ﴿۱۵﴾

আর এরা তো কেবল একটি বিকট আওয়াজের অপেক্ষা করছে যাতে কোন বিরাম থাকবে না।
৩৮: ১৬ وَ قَالُوۡا رَبَّنَا عَجِّلۡ لَّنَا قِطَّنَا قَبۡلَ یَوۡمِ الۡحِسَابِ ﴿۱۶﴾
![]()
আর তারা বলে, হে ‘আমাদের রব, হিসাব দিবসের আগেই আমাদের প্রাপ্য আমাদেরকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দিন’।
৩৮: ১৭ اِصۡبِرۡ عَلٰی مَا یَقُوۡلُوۡنَ وَ اذۡكُرۡ عَبۡدَنَا دَاوٗدَ ذَا الۡاَیۡدِ ۚ اِنَّهٗۤ اَوَّابٌ ﴿۱۷﴾

তারা যা বলে সে ব্যাপারে তুমি ধৈর্যধারণ কর এবং আমার শক্তিশালী বান্দা দাঊদকে স্মরণ কর; সে ছিল অধিক আল্লাহ অভিমুখী।
৩৮: ১৮ اِنَّا سَخَّرۡنَا الۡجِبَالَ مَعَهٗ یُسَبِّحۡنَ بِالۡعَشِیِّ وَ الۡاِشۡرَاقِ ﴿ۙ۱۸﴾
![]()
আমি পর্বতমালাকে অনুগত করেছিলাম, তার সাথে এগুলো সকাল-সন্ধ্যায় আমার তাসবীহ পাঠ করত।
৩৮: ১৯ وَ الطَّیۡرَ مَحۡشُوۡرَۃً ؕ كُلٌّ لَّهٗۤ اَوَّابٌ ﴿۱۹﴾
![]()
আর সমবেত পাখীদেরকেও (অনুগত করেছিলাম); প্রত্যেকেই ছিল অধিক আল্লাহ অভিমুখী।
৩৮: ২০ وَ شَدَدۡنَا مُلۡكَهٗ وَ اٰتَیۡنٰهُ الۡحِكۡمَۃَ وَ فَصۡلَ الۡخِطَابِ ﴿۲۰﴾
![]()
আর আমি তার রাজত্বকে সুদৃঢ় করেছিলাম এবং তাকে প্রজ্ঞা ও ফয়সালাকারী বাগ্মিতা দিয়েছিলাম।
৩৮: ২১ وَ هَلۡ اَتٰىكَ نَبَؤُا الۡخَصۡمِ ۘ اِذۡ تَسَوَّرُوا الۡمِحۡرَابَ ﴿ۙ۲۱﴾
![]()
তোমার কাছে কি বিবদমান লোকদের সংবাদ এসেছে? যখন তারা প্রাচীর ডিঙিয়ে মিহরাবে আসল।
৩৮: ২২ اِذۡ دَخَلُوۡا عَلٰی دَاوٗدَ فَفَزِعَ مِنۡهُمۡ قَالُوۡا لَا تَخَفۡ ۚ خَصۡمٰنِ بَغٰی بَعۡضُنَا عَلٰی بَعۡضٍ فَاحۡكُمۡ بَیۡنَنَا بِالۡحَقِّ وَ لَا تُشۡطِطۡ وَ اهۡدِنَاۤ اِلٰی سَوَآءِ الصِّرَاطِ ﴿۲۲﴾

যখন তারা দাঊদের কাছে প্রবেশ করল, তখন সে তাদের ভয় পেয়ে গেল। তারা বলল ‘আপনি ভয় করবেন না, আমরা বিবদমান দু’পক্ষ। আমাদের একে অন্যের উপর সীমালঙ্ঘন করেছে। অতএব আপনি আমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করুন, অবিচার করবেন না। আর আমাদেরকে সরল পথের নির্দেশনা দিন’।
৩৮: ২৪ قَالَ لَقَدۡ ظَلَمَكَ بِسُؤَالِ نَعۡجَتِكَ اِلٰی نِعَاجِهٖ ؕ وَ اِنَّ كَثِیۡرًا مِّنَ الۡخُلَطَآءِ لَیَبۡغِیۡ بَعۡضُهُمۡ عَلٰی بَعۡضٍ اِلَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ قَلِیۡلٌ مَّا هُمۡ ؕ وَ ظَنَّ دَاوٗدُ اَنَّمَا فَتَنّٰهُ فَاسۡتَغۡفَرَ رَبَّهٗ وَ خَرَّ رَاكِعًا وَّ اَنَابَ ﴿ٛ۲۴﴾ (سُجود)

দাঊদ বলল, ‘তোমার ভেড়ীকে তার ভেড়ীর পালের সাথে যুক্ত করার দাবী করে সে তোমার প্রতি যুলম করেছে। আর শরীকদের অনেকেই একে অন্যের উপর সীমলঙ্ঘন করে থাকে। তবে কেবল তারাই এরূপ করে না যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে’। আর এরা সংখ্যায় খুবই কম। আর দাঊদ জানতে পারল যে, আমি তাকে পরীক্ষা করেছি। তারপর সে তার রবের কাছে ক্ষমা চাইল, সিজদায় লুটিয়ে পড়ল এবং তাঁর অভিমুখী হল। [সাজদাহ] ۩
৩৮: ২৫ فَغَفَرۡنَا لَهٗ ذٰلِكَ ؕ وَ اِنَّ لَهٗ عِنۡدَنَا لَزُلۡفٰی وَ حُسۡنَ مَاٰبٍ ﴿۲۵﴾

তখন আমি তাকে তা ক্ষমা করে দিলাম। আর অবশ্যই আমার কাছে তার জন্য রয়েছে নৈকট্য ও উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।
৩৮: ২৬ یٰدَاوٗدُ اِنَّا جَعَلۡنٰكَ خَلِیۡفَۃً فِی الۡاَرۡضِ فَاحۡكُمۡ بَیۡنَ النَّاسِ بِالۡحَقِّ وَ لَا تَتَّبِعِ الۡهَوٰی فَیُضِلَّكَ عَنۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ ؕ اِنَّ الَّذِیۡنَ یَضِلُّوۡنَ عَنۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ لَهُمۡ عَذَابٌ شَدِیۡدٌۢ بِمَا نَسُوۡا یَوۡمَ الۡحِسَابِ ﴿۲۶﴾

(হে দাঊদ), নিশ্চয় আমি তোমাকে যমীনে খলীফা বানিয়েছি, অতএব তুমি মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার কর আর প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, কেননা তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয় তাদের জন্য কঠিন আযাব রয়েছে। কারণ তারা হিসাব দিবসকে ভুলে গিয়েছিল।
৩৮: ২৭ وَ مَا خَلَقۡنَا السَّمَآءَ وَ الۡاَرۡضَ وَ مَا بَیۡنَهُمَا بَاطِلًا ؕ ذٰلِكَ ظَنُّ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا ۚ فَوَیۡلٌ لِّلَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا مِنَ النَّارِ ﴿ؕ۲۷﴾

আর আসমান, যমীন এবং এ দু’য়ের মধ্যে যা আছে তা আমি অনর্থক সৃষ্টি করিনি। এটা কাফিরদের ধারণা, সুতরাং কাফিরদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের দুর্ভোগ।
৩৮: ২৮ اَمۡ نَجۡعَلُ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ كَالۡمُفۡسِدِیۡنَ فِی الۡاَرۡضِ ۫ اَمۡ نَجۡعَلُ الۡمُتَّقِیۡنَ كَالۡفُجَّارِ ﴿۲۸﴾

যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে আমি কি তাদেরকে যমীনে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের সমতুল্য গণ্য করব? নাকি আমি মুত্তাকীদেরকে পাপাচারীদের সমতুল্য গণ্য করব?
৩৮: ২৯ كِتٰبٌ اَنۡزَلۡنٰهُ اِلَیۡكَ مُبٰرَكٌ لِّیَدَّبَّرُوۡۤا اٰیٰتِهٖ وَ لِیَتَذَكَّرَ اُولُوا الۡاَلۡبَابِ ﴿۲۹﴾

আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি এক বরকতময় কিতাব, যাতে তারা এর আয়াতসমূহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে এবং যাতে বুদ্ধিমানগণ উপদেশ গ্রহণ করে।
৩৮: ৩০ وَ وَهَبۡنَا لِدَاوٗدَ سُلَیۡمٰنَ ؕ نِعۡمَ الۡعَبۡدُ ؕ اِنَّهٗۤ اَوَّابٌ ﴿ؕ۳۰﴾
![]()
আর আমি দাঊদকে দান করলাম সুলাইমান। সে কতই না উত্তম বান্দা! নিঃসন্দেহে সে ছিল অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।
৩৮: ৩১ اِذۡ عُرِضَ عَلَیۡهِ بِالۡعَشِیِّ الصّٰفِنٰتُ الۡجِیَادُ ﴿ۙ۳۱﴾
![]()
যখন তার সামনে সন্ধ্যাবেলায় পেশ করা হল দ্রুতগামী উৎকৃষ্ট ঘোড়াসমূহ।
৩৮ : ৩২ فَقَالَ اِنِّیۡۤ اَحۡبَبۡتُ حُبَّ الۡخَیۡرِ عَنۡ ذِكۡرِ رَبِّیۡ ۚ حَتّٰی تَوَارَتۡ بِالۡحِجَابِ ﴿ٝ۳۲﴾

তখন সে বলল, ‘আমি তো আমার রবের স্মরণ থেকে বিমুখ হয়ে ঐশ্বর্যের প্রেমে মগ্ন হয়ে পড়েছি, এদিকে সূর্য পর্দার আড়ালে চলে গেছে।*
৩৮ : ৩৩ رُدُّوۡهَا عَلَیَّ ؕ فَطَفِقَ مَسۡحًۢا بِالسُّوۡقِ وَ الۡاَعۡنَاقِ ﴿۳۳﴾
![]()
এগুলো আমার কাছে ফিরিয়ে আন। অতঃপর সে এগুলোকে পা ও গলদেশ দিয়ে যবেহ করা শুরু করল।*
৩৮ : ৩৪ وَ لَقَدۡ فَتَنَّا سُلَیۡمٰنَ وَ اَلۡقَیۡنَا عَلٰی كُرۡسِیِّهٖ جَسَدًا ثُمَّ اَنَابَ ﴿۳۴﴾

আর আমি তো সুলাইমানকে পরীক্ষা করেছিলাম এবং তার সিংহাসনের উপর রেখেছিলাম একটি দেহ*, অতঃপর সে আমার অভিমুখী হল।
৩৮ : ৩৫ قَالَ رَبِّ اغۡفِرۡ لِیۡ وَ هَبۡ لِیۡ مُلۡكًا لَّا یَنۡۢبَغِیۡ لِاَحَدٍ مِّنۡۢ بَعۡدِیۡ ۚ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ ﴿۳۵﴾

সুলাইমান বলল, ‘হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজত্ব দান করুন যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয়ই আপনি বড়ই দানশীল।
৩৮ : ৩৬ فَسَخَّرۡنَا لَهُ الرِّیۡحَ تَجۡرِیۡ بِاَمۡرِهٖ رُخَآءً حَیۡثُ اَصَابَ ﴿ۙ۳۶﴾
![]()
ফলে আমি বায়ুকে তার অনুগত করে দিলাম যা তার আদেশে মৃদুমন্দভাবে প্রবাহিত হত, যেখানে সে পৌঁছতে চাইত।
৩৮ : ৩৭ وَ الشَّیٰطِیۡنَ كُلَّ بَنَّآءٍ وَّ غَوَّاصٍ ﴿ۙ۳۷﴾
![]()
আর (অনুগত করে দিলাম) প্রত্যেক প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী শয়তান [জিন] সমূহকেও
৩৮ : ৩৮ وَّ اٰخَرِیۡنَ مُقَرَّنِیۡنَ فِی الۡاَصۡفَادِ ﴿۳۸﴾
![]()
আর শেকলে আবদ্ধ আরও অনেককে।
৩৮ : ৩৯ هٰذَا عَطَآؤُنَا فَامۡنُنۡ اَوۡ اَمۡسِكۡ بِغَیۡرِ حِسَابٍ ﴿۳۹﴾
![]()
এটি আমার অনুগ্রহ। অতএব তুমি এটি অন্যের জন্য খরচ কর অথবা নিজের জন্য রেখে দাও, এর কোন হিসাব দিতে হবে না।
৩৮ : ৪০ وَ اِنَّ لَهٗ عِنۡدَنَا لَزُلۡفٰی وَ حُسۡنَ مَاٰبٍ ﴿۴۰﴾
![]()
আর আমার নিকট রয়েছে তার জন্য নৈকট্য ও শুভ পরিণাম।
৩৮ : ৪১ وَ اذۡكُرۡ عَبۡدَنَاۤ اَیُّوۡبَ ۘ اِذۡ نَادٰی رَبَّهٗۤ اَنِّیۡ مَسَّنِیَ الشَّیۡطٰنُ بِنُصۡبٍ وَّ عَذَابٍ ﴿ؕ۴۱﴾

আর স্মরণ কর আমার বান্দা আইউবকে, যখন সে তার রবকে ডেকে বলেছিল, ‘শয়তান তো আমাকে কষ্ট ও আযাবের ছোঁয়া দিয়েছে’।
৩৮ : ৪২ اُرۡكُضۡ بِرِجۡلِكَ ۚ هٰذَا مُغۡتَسَلٌۢ بَارِدٌ وَّ شَرَابٌ ﴿۴۲﴾
![]()
[আমি বললাম], ‘তুমি তোমার পা দিয়ে (ভূমিতে) আঘাত কর, এ হচ্ছে গোসলের সুশীতল পানি আর পানীয়’।
৩৮ : ৪৩ وَ وَهَبۡنَا لَهٗۤ اَهۡلَهٗ وَ مِثۡلَهُمۡ مَّعَهُمۡ رَحۡمَۃً مِّنَّا وَ ذِكۡرٰی لِاُولِی الۡاَلۡبَابِ ﴿۴۳﴾

আর আমার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ ও বুদ্ধিমানদের জন্য উপদেশস্বরূপ আমি তাকে দান করলাম তার পরিবার-পরিজন ও তাদের সাথে তাদের অনুরূপ অনেককে।
৩৮ : ৪৪ وَ خُذۡ بِیَدِكَ ضِغۡثًا فَاضۡرِبۡ بِّهٖ وَ لَا تَحۡنَثۡ ؕ اِنَّا وَجَدۡنٰهُ صَابِرًا ؕ نِعۡمَ الۡعَبۡدُ ؕ اِنَّهٗۤ اَوَّابٌ ﴿۴۴﴾

আর তুমি তোমার হাতে এক মুঠো তৃণলতা নাও এবং তা দিয়ে আঘাত কর। আর কসম ভংগ করো না। নিশ্চয় আমি তাকে ধৈর্যশীল পেয়েছি। সে কতই না উত্তম বান্দা! নিশ্চয়ই সে ছিল আমার অভিমুখী।
৩৮ : ৪৫ وَ اذۡكُرۡ عِبٰدَنَاۤ اِبۡرٰهِیۡمَ وَ اِسۡحٰقَ وَ یَعۡقُوۡبَ اُولِی الۡاَیۡدِیۡ وَ الۡاَبۡصَارِ ﴿۴۵﴾

আর স্মরণ কর আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়া‘কূবকে। তারা ছিল শক্তিমান ও সূক্ষ্মদর্শী।
৩৮ : ৪৬ اِنَّاۤ اَخۡلَصۡنٰهُمۡ بِخَالِصَۃٍ ذِكۡرَی الدَّارِ ﴿ۚ۴۶﴾
![]()
নিশ্চয় আমি তাদেরকে বিশেষ করে পরকালের স্মরণের জন্য নির্বাচিত করেছিলাম।
৩৮ : ৪৭ وَ اِنَّهُمۡ عِنۡدَنَا لَمِنَ الۡمُصۡطَفَیۡنَ الۡاَخۡیَارِ ﴿ؕ۴۷﴾

আর নিশ্চয় তারা ছিল আমার মনোনীত, সর্বোত্তম বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
৩৮ : ৪৮ وَ اذۡكُرۡ اِسۡمٰعِیۡلَ وَ الۡیَسَعَ وَ ذَاالۡكِفۡلِ ؕ وَ كُلٌّ مِّنَ الۡاَخۡیَارِ ﴿ؕ۴۸﴾

আরো স্মরণ কর ইসমাঈল, আল-ইয়াসা‘আ ও যুল-কিফলের কথা। এরা প্রত্যেকেই ছিল সর্বোত্তমদের অন্তর্ভুক্ত।
৩৮ : ৪৯ هٰذَا ذِكۡرٌ ؕ وَ اِنَّ لِلۡمُتَّقِیۡنَ لَحُسۡنَ مَاٰبٍ ﴿ۙ۴۹﴾
![]()
এটি এক স্মরণ, আর মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রয়েছে উত্তম নিবাস-
৩৮ : ৫০ جَنّٰتِ عَدۡنٍ مُّفَتَّحَۃً لَّهُمُ الۡاَبۡوَابُ ﴿ۚ۵۰﴾
![]()
চিরস্থায়ী জান্নাত, যার দরজাসমূহ থাকবে তাদের জন্য উন্মুক্ত।
৩৮ : ৫১ مُتَّكِـِٕیۡنَ فِیۡهَا یَدۡعُوۡنَ فِیۡهَا بِفَاكِهَۃٍ كَثِیۡرَۃٍ وَّ شَرَابٍ ﴿۵۱﴾
![]()
সেখানে তারা হেলান দিয়ে আসীন থাকবে, সেখানে তারা বহু ফলমূল ও পানীয় চাইবে।
৩৮ : ৫২ وَ عِنۡدَهُمۡ قٰصِرٰتُ الطَّرۡفِ اَتۡرَابٌ ﴿۵۲﴾
![]()
আর তাদের নিকটে থাকবে আনতনয়না সমবয়সীরা।
৩৮ : ৫৩ هٰذَا مَا تُوۡعَدُوۡنَ لِیَوۡمِ الۡحِسَابِ ﴿ؓ۵۳﴾
![]()
হিসাব দিবস সম্পর্কে তোমাদেরকে এ ওয়াদাই দেয়া হয়েছিল।
৩৮ : ৫৪ اِنَّ هٰذَا لَرِزۡقُنَا مَا لَهٗ مِنۡ نَّفَادٍ ﴿ۚۖ۵۴﴾
![]()
নিশ্চয় এটি আমার দেয়া রিয্ক, যা নিঃশেষ হবার নয়।
৩৮ : ৫৫ هٰذَا ؕ وَ اِنَّ لِلطّٰغِیۡنَ لَشَرَّ مَاٰبٍ ﴿ۙ۵۵﴾
![]()
এমনই, আর নিশ্চয় সীমালংঘনকারীদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্টতম নিবাস।
৩৮ : ৫৬ جَهَنَّمَ ۚ یَصۡلَوۡنَهَا ۚ فَبِئۡسَ الۡمِهَادُ ﴿۵۶﴾
![]()
জাহান্নাম, তারা সেখানে অগ্নিদগ্ধ হবে। কতই না নিকৃষ্ট সে নিবাস!
৩৮ : ৫৭ هٰذَا ۙ فَلۡیَذُوۡقُوۡهُ حَمِیۡمٌ وَّ غَسَّاقٌ ﴿ۙ۵۷﴾
![]()
এমনই, সুতরাং তারা এটি আস্বাদন করুক, ফুটন্ত পানি ও পুঁজ।
৩৮ : ৫৮ وَّ اٰخَرُ مِنۡ شَكۡلِهٖۤ اَزۡوَاجٌ ﴿ؕ۵۸﴾
![]()
আরও রয়েছে এ জাতীয় বহুরকম আযাব।
৩৮ : ৫৯ هٰذَا فَوۡجٌ مُّقۡتَحِمٌ مَّعَكُمۡ ۚ لَا مَرۡحَبًۢا بِهِمۡ ؕ اِنَّهُمۡ صَالُوا النَّارِ ﴿۵۹﴾

এই তো এক দল তোমাদের সাথেই প্রবেশ করছে, তাদের জন্য নেই কোন অভিনন্দন। নিশ্চয় তারা আগুনে জ্বলবে।
৩৮ : ৬০ قَالُوۡا بَلۡ اَنۡتُمۡ ۟ لَا مَرۡحَبًۢا بِكُمۡ ؕ اَنۡتُمۡ قَدَّمۡتُمُوۡهُ لَنَا ۚ فَبِئۡسَ الۡقَرَارُ ﴿۶۰﴾

অনুসারীরা বলবে, ‘বরং তোমরাও, তোমাদের জন্যও তো নেই কোন অভিনন্দন। তোমরাই আমাদের জন্য এ বিপদ এনেছ। অতএব কতই না নিকৃষ্ট এ আবাসস্থল’!
৩৮ : ৬১ قَالُوۡا رَبَّنَا مَنۡ قَدَّمَ لَنَا هٰذَا فَزِدۡهُ عَذَابًا ضِعۡفًا فِی النَّارِ ﴿۶۱﴾
![]()
তারা বলবে, ‘হে আমাদের রব, যে আমাদের জন্য এ বিপদ এনেছে, জাহান্নামে তুমি তার আযাবকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দাও।’
৩৮ : ৬২ وَ قَالُوۡا مَا لَنَا لَا نَرٰی رِجَالًا كُنَّا نَعُدُّهُمۡ مِّنَ الۡاَشۡرَارِ ﴿ؕ۶۲﴾
![]()
তারা আরো বলবে, ‘আমাদের কী হল যে, আমরা যাদের মন্দ গণ্য করতাম সে সকল লোককে এখানে দেখছি না।’
৩৮ : ৬৩ اَتَّخَذۡنٰهُمۡ سِخۡرِیًّا اَمۡ زَاغَتۡ عَنۡهُمُ الۡاَبۡصَارُ ﴿۶۳﴾
![]()
‘তবে কি আমরা তাদের ঠাট্টা-বিদ্রূপের পাত্র মনে করতাম, নাকি তাদের ব্যাপারে [আমাদের] দৃষ্টি বিভ্রম ঘটেছে’?
৩৮ : ৬৪ اِنَّ ذٰلِكَ لَحَقٌّ تَخَاصُمُ اَهۡلِ النَّارِ ﴿۶۴﴾
![]()
নিশ্চয়ই এটি সুনিশ্চিত সত্য- জাহান্নামীদের এই পারস্পরিক বাকবিতন্ডা।
৩৮ : ৬৫ قُلۡ اِنَّمَاۤ اَنَا مُنۡذِرٌ ٭ۖ وَّ مَا مِنۡ اِلٰهٍ اِلَّا اللّٰهُ الۡوَاحِدُ الۡقَهَّارُ ﴿ۚ۶۵﴾

বল, ‘আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র। আল্লাহ ছাড়া আর কোন (সত্য) ইলাহ নেই। যিনি এক, প্রবল প্রতাপশালী।’
৩৮ : ৬৬ رَبُّ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ وَ مَا بَیۡنَهُمَا الۡعَزِیۡزُ الۡغَفَّارُ ﴿۶۶﴾
![]()
আসমানসমূহ ও যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যস্থিত যা কিছু রয়েছে সব কিছুর রব তিনি। তিনি মহাপরাক্রমশালী, মহাক্ষমাশীল।
৩৮ : ৬৭ قُلۡ هُوَ نَبَؤٌا عَظِیۡمٌ ﴿ۙ۶۷﴾
![]()
বল, ‘এটি এক মহাসংবাদ’।
৩৮ : ৬৮ اَنۡتُمۡ عَنۡهُ مُعۡرِضُوۡنَ ﴿۶۸﴾
![]()
‘তোমরা তা থেকে বিমুখ হয়ে আছ।’
৩৮ : ৬৯ مَا كَانَ لِیَ مِنۡ عِلۡمٍۭ بِالۡمَلَاِ الۡاَعۡلٰۤی اِذۡ یَخۡتَصِمُوۡنَ ﴿۶۹﴾
![]()
‘ঊর্ধ্বলোক সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞানই ছিল না যখন তারা বাদানুবাদ* করছিল’।
৩৮ : ৭০ اِنۡ یُّوۡحٰۤی اِلَیَّ اِلَّاۤ اَنَّمَاۤ اَنَا نَذِیۡرٌ مُّبِیۡنٌ ﴿۷۰﴾
![]()
‘ঊর্ধ্বলোক সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞানই ছিল না যখন তারা বাদানুবাদ* করছিল’।
৩৮ : ৭১ اِذۡ قَالَ رَبُّكَ لِلۡمَلٰٓئِكَۃِ اِنِّیۡ خَالِقٌۢ بَشَرًا مِّنۡ طِیۡنٍ ﴿۷۱﴾
![]()
স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফেরেশতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘আমি মাটি হতে মানুষ সৃষ্টি করব।’
৩৮ : ৭২ فَاِذَا سَوَّیۡتُهٗ وَ نَفَخۡتُ فِیۡهِ مِنۡ رُّوۡحِیۡ فَقَعُوۡا لَهٗ سٰجِدِیۡنَ ﴿۷۲﴾
![]()
‘যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তার মধ্যে আমার রূহ সঞ্চার করব, তখন তোমরা তার উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হয়ে যাও’।
৩৮ : ৭৩ فَسَجَدَ الۡمَلٰٓئِكَۃُ كُلُّهُمۡ اَجۡمَعُوۡنَ ﴿ۙ۷۳﴾
![]()
ফলে ফেরেশতাগণ সকলেই সিজদাবনত হল।
৩৮ : ৭৪ اِلَّاۤ اِبۡلِیۡسَ ؕ اِسۡتَكۡبَرَ وَ كَانَ مِنَ الۡكٰفِرِیۡنَ ﴿۷۴﴾
![]()
ইবলীস ছাড়া, সে অহঙ্কার করল এবং কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ল।
৩৮ : ৭৫ قَالَ یٰۤاِبۡلِیۡسُ مَا مَنَعَكَ اَنۡ تَسۡجُدَ لِمَا خَلَقۡتُ بِیَدَیَّ ؕ اَسۡتَكۡبَرۡتَ اَمۡ كُنۡتَ مِنَ الۡعَالِیۡنَ ﴿۷۵﴾

আল্লাহ বললেন, ‘হে ইবলীস, আমার দু’হাতে আমি যাকে সৃষ্টি করেছি তার প্রতি সিজদাবনত হতে কিসে তোমাকে বাধা দিল? তুমি কি অহঙ্কার করলে, না তুমি অধিকতর উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন?’
৩৮ : ৭৬ قَالَ اَنَا خَیۡرٌ مِّنۡهُ ؕ خَلَقۡتَنِیۡ مِنۡ نَّارٍ وَّ خَلَقۡتَهٗ مِنۡ طِیۡنٍ ﴿۷۶﴾

সে বলল, ‘আমি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নি থেকে আর তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে।’
৩৮ : ৭৭ قَالَ فَاخۡرُجۡ مِنۡهَا فَاِنَّكَ رَجِیۡمٌ ﴿ۚۖ۷۷﴾
![]()
তিনি বললেন, ‘তুমি এখান থেকে বের হয়ে যাও। কেননা নিশ্চয় তুমি বিতাড়িত।
৩৮ : ৭৮ وَّ اِنَّ عَلَیۡكَ لَعۡنَتِیۡۤ اِلٰی یَوۡمِ الدِّیۡنِ ﴿۷۸﴾
![]()
আর নিশ্চয় বিচার দিবস পর্যন্ত তোমার প্রতি আমার লা‘নত বলবৎ থাকবে।
৩৮ : ৭৯ قَالَ رَبِّ فَاَنۡظِرۡنِیۡۤ اِلٰی یَوۡمِ یُبۡعَثُوۡنَ ﴿۷۹﴾
![]()
সে বলল, ‘হে আমার রব, আমাকে সে দিন পর্যন্ত অবকাশ দিন যেদিন তারা পুনরুত্থিত হবে।’
৩৮ : ৮০ قَالَ فَاِنَّكَ مِنَ الۡمُنۡظَرِیۡنَ ﴿ۙ۸۰﴾
![]()
তিনি বললেন, আচ্ছা তুমি অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হলে-
৩৮ : ৮১ اِلٰی یَوۡمِ الۡوَقۡتِ الۡمَعۡلُوۡمِ ﴿۸۱﴾
![]()
‘নির্ধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।’
৩৮ : ৮২ قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَاُغۡوِیَنَّهُمۡ اَجۡمَعِیۡنَ ﴿ۙ۸۲﴾
![]()
সে বলল, ‘আপনার ইজ্জতের কসম! আমি তাদের সকলকেই বিপথগামী করে ছাড়ব।’
৩৮ : ৮৩ اِلَّا عِبَادَكَ مِنۡهُمُ الۡمُخۡلَصِیۡنَ ﴿۸۳﴾
![]()
তাদের মধ্য থেকে আপনার একনিষ্ঠ বান্দারা ছাড়া।
৩৮ : ৮৪ قَالَ فَالۡحَقُّ ۫ وَ الۡحَقَّ اَقُوۡلُ ﴿ۚ۸۴﴾
![]()
আল্লাহ বললেন, ‘এটি সত্য আর সত্য-ই আমি বলি’
৩৮ : ৮৫ لَاَمۡلَـَٔنَّ جَهَنَّمَ مِنۡكَ وَ مِمَّنۡ تَبِعَكَ مِنۡهُمۡ اَجۡمَعِیۡنَ ﴿۸۵﴾
![]()
‘তোমাকে দিয়ে এবং তাদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করত তাদের দিয়ে নিশ্চয় আমি জাহান্নাম পূর্ণ করব।’
৩৮ : ৮৬ قُلۡ مَاۤ اَسۡـَٔلُكُمۡ عَلَیۡهِ مِنۡ اَجۡرٍ وَّ مَاۤ اَنَا مِنَ الۡمُتَكَلِّفِیۡنَ ﴿۸۶﴾
![]()
বল, ‘এর বিনিময়ে আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না আর আমি ভানকারীদের অন্তর্ভুক্ত নই।
৩৮ : ৮৭ اِنۡ هُوَ اِلَّا ذِكۡرٌ لِّلۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۸۷﴾
![]()
সৃষ্টিকুলের জন্য এ তো উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।
৩৮ : ৮৮ وَ لَتَعۡلَمُنَّ نَبَاَهٗ بَعۡدَ حِیۡنٍ ﴿۸۸﴾
![]()
আর অল্পকাল পরে তুমি অবশ্যই এর সংবাদ জানবে।