سْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِطسٓمٓ ﴿۱﴾
৬৮ : ১ نٓ وَ الۡقَلَمِ وَ مَا یَسۡطُرُوۡنَ ۙ﴿۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

নূন; কলমের কসম এবং তারা যা লিখে তার কসম!
৬৮ : ২ مَاۤ اَنۡتَ بِنِعۡمَۃِ رَبِّكَ بِمَجۡنُوۡنٍ ۚ﴿۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তোমার রবের অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
৬৮ : ৩ وَ اِنَّ لَكَ لَاَجۡرًا غَیۡرَ مَمۡنُوۡنٍ ۚ﴿۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর নিশ্চয় তোমার জন্য রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
৬৮ : ৪ وَ اِنَّكَ لَعَلٰی خُلُقٍ عَظِیۡمٍ ﴿۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রের উপর অধিষ্ঠিত।
৬৮ : ৫ فَسَتُبۡصِرُ وَ یُبۡصِرُوۡنَ ۙ﴿۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অতঃপর শীঘ্রই তুমি দেখতে পাবে এবং তারাও দেখতে পাবে-
৬৮ : ৬ بِاَىیِّكُمُ الۡمَفۡتُوۡنُ ﴿۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত?
৬৮ : ৭ اِنَّ رَبَّكَ هُوَ اَعۡلَمُ بِمَنۡ ضَلَّ عَنۡ سَبِیۡلِهٖ ۪ وَ هُوَ اَعۡلَمُ بِالۡمُهۡتَدِیۡنَ ﴿۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

নিশ্চয় তোমার রবই সম্যক পরিজ্ঞাত তাদের ব্যাপারে যারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি হিদায়াতপ্রাপ্তদের সম্পর্কেও সম্যক জ্ঞাত।
৬৮ : ৮ فَلَا تُطِعِ الۡمُكَذِّبِیۡنَ ﴿۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অতএব তুমি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করো না।
৬৮ : ৯ وَدُّوۡا لَوۡ تُدۡهِنُ فَیُدۡهِنُوۡنَ ﴿۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারা কামনা করে, যদি তুমি আপোষকামী হও, তবে তারাও আপোষকারী হবে।
৬৮ : ১০ وَ لَا تُطِعۡ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِیۡنٍ ﴿ۙ۱۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর তুমি আনুগত্য করো না প্রত্যেক এমন ব্যক্তির যে অধিক কসমকারী, লাঞ্ছিত।
৬৮ : ১১ هَمَّازٍ مَّشَّآءٍۭ بِنَمِیۡمٍ ﴿ۙ۱۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

পিছনে নিন্দাকারী ও যে চোগলখুরী করে বেড়ায়,
৬৮ : ১২ مَّنَّاعٍ لِّلۡخَیۡرِ مُعۡتَدٍ اَثِیۡمٍ ﴿ۙ۱۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

ভাল কাজে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী অপরাধী,
৬৮ : ১৩ عُتُلٍّۭ بَعۡدَ ذٰلِكَ زَنِیۡمٍ ﴿ۙ۱۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

দুষ্ট প্রকৃতির, তারপর জারজ।
৬৮ : ১৪ اَنۡ كَانَ ذَا مَالٍ وَّ بَنِیۡنَ ﴿ؕ۱۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

এ কারণে যে, সে ছিল ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততির অধিকারী।
৬৮ : ১৫ اِذَا تُتۡلٰی عَلَیۡهِ اٰیٰتُنَا قَالَ اَسَاطِیۡرُ الۡاَوَّلِیۡنَ ﴿۱۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

যখন তার কাছে আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করা হয় তখন সে বলে, এগুলো পূর্ববর্তীদের কল্পকাহিনীমাত্র।
৬৮ : ১৬ سَنَسِمُهٗ عَلَی الۡخُرۡطُوۡمِ ﴿۱۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অচিরেই আমি তার শুঁড়ের* উপর দাগ দিয়ে দেব।
৬৮ : ১৭ اِنَّا بَلَوۡنٰهُمۡ كَمَا بَلَوۡنَاۤ اَصۡحٰبَ الۡجَنَّۃِ ۚ اِذۡ اَقۡسَمُوۡا لَیَصۡرِمُنَّهَا مُصۡبِحِیۡنَ ﴿ۙ۱۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

নিশ্চয় আমি এদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানের মালিকদেরকে। যখন তারা কসম করেছিল যে, অবশ্যই তারা সকাল বেলা বাগানের ফল আহরণ করবে।
৬৮ : ১৮ وَ لَا یَسۡتَثۡنُوۡنَ ﴿۱۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।
৬৮ : ১৯ فَطَافَ عَلَیۡهَا طَآئِفٌ مِّنۡ رَّبِّكَ وَ هُمۡ نَآئِمُوۡنَ ﴿۱۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অতঃপর তোমার রবের পক্ষ থেকে এক প্রদক্ষিণকারী (আগুন) বাগানের ওপর দিয়ে প্রদক্ষিণ করে গেল, আর তারা ছিল ঘুমন্ত।
৬৮ : ২০ فَاَصۡبَحَتۡ كَالصَّرِیۡمِ ﴿ۙ۲۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

ফলে তা (পুড়ে) কালো বর্ণের হয়ে গেল।
৬৮ : ২১ فَتَنَادَوۡا مُصۡبِحِیۡنَ ﴿ۙ۲۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারপর সকাল বেলা তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
৬৮ : ২২ اَنِ اغۡدُوۡا عَلٰی حَرۡثِكُمۡ اِنۡ كُنۡتُمۡ صٰرِمِیۡنَ ﴿۲۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

‘তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও তাহলে সকাল সকাল তোমাদের বাগানে যাও’।
৬৮ : ২৩ فَانۡطَلَقُوۡا وَ هُمۡ یَتَخَافَتُوۡنَ ﴿ۙ۲۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারপর তারা চলল, নিম্নস্বরে একথা বলতে বলতে-
৬৮ : ২৪ اَنۡ لَّا یَدۡخُلَنَّهَا الۡیَوۡمَ عَلَیۡكُمۡ مِّسۡكِیۡنٌ ﴿ۙ۲۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

যে, ‘আজ সেখানে তোমাদের কাছে কোন অভাবী যেন প্রবেশ করতে না পারে’।
৬৮ : ২৫ وَّ غَدَوۡا عَلٰی حَرۡدٍ قٰدِرِیۡنَ ﴿۲۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর তারা ভোর বেলা দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি নিয়ে সক্ষম অবস্থায় (বাগানে) গেল।
৬৮ : ২৬ فَلَمَّا رَاَوۡهَا قَالُوۡۤا اِنَّا لَضَآلُّوۡنَ ﴿ۙ۲۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারপর তারা যখন বাগানটি দেখল, তখন তারা বলল, ‘অবশ্যই আমরা পথভ্রষ্ট’।
৬৮ : ২৭ بَلۡ نَحۡنُ مَحۡرُوۡمُوۡنَ ﴿۲۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

‘বরং আমরা বঞ্চিত’।
৬৮ : ২৮ قَالَ اَوۡسَطُهُمۡ اَلَمۡ اَقُلۡ لَّكُمۡ لَوۡ لَا تُسَبِّحُوۡنَ ﴿۲۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল ব্যক্তিটি বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা কেন (আল্লাহর) তাসবীহ পাঠ করছ না’?
৬৮ : ২৯ قَالُوۡا سُبۡحٰنَ رَبِّنَاۤ اِنَّا كُنَّا ظٰلِمِیۡنَ ﴿۲۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারা বলল, ‘আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমরা যালিম ছিলাম’।
৬৮ : ৩০ فَاَقۡبَلَ بَعۡضُهُمۡ عَلٰی بَعۡضٍ یَّتَلَاوَمُوۡنَ ﴿۳۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারপর তারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করতে লাগল।
৬৮ : ৩১ قَالُوۡا یٰوَیۡلَنَاۤ اِنَّا كُنَّا طٰغِیۡنَ ﴿۳۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারা বলল, ‘হায়, আমাদের ধ্বংস! নিশ্চয় আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম’।
৬৮ : ৩২ عَسٰی رَبُّنَاۤ اَنۡ یُّبۡدِلَنَا خَیۡرًا مِّنۡهَاۤ اِنَّاۤ اِلٰی رَبِّنَا رٰغِبُوۡنَ ﴿۳۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

সম্ভবতঃ আমাদের রব আমাদেরকে এর চেয়েও উৎকৃষ্টতর বিনিময় দেবেন। অবশ্যই আমরা আমাদের রবের প্রতি আগ্রহী।
৬৮ : ৩৩ كَذٰلِكَ الۡعَذَابُ ؕ وَ لَعَذَابُ الۡاٰخِرَۃِ اَكۡبَرُ ۘ لَوۡ كَانُوۡا یَعۡلَمُوۡنَ ﴿۳۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

এভাবেই হয় আযাব। আর পরকালের আযাব অবশ্যই আরো বড়, যদি তারা জানত।
৬৮ : ৩৪ اِنَّ لِلۡمُتَّقِیۡنَ عِنۡدَ رَبِّهِمۡ جَنّٰتِ النَّعِیۡمِ ﴿۳۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত।
৬৮ : ৩৫ اَفَنَجۡعَلُ الۡمُسۡلِمِیۡنَ كَالۡمُجۡرِمِیۡنَ ﴿ؕ۳۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তবে কি আমি মুসলিমদেরকে (অনুগতদেরকে) অবাধ্যদের মতই গণ্য করব?
৬৮ : ৩৬ مَا لَكُمۡ ٝ كَیۡفَ تَحۡكُمُوۡنَ ﴿ۚ۳۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তোমাদের কী হল, তোমরা কিভাবে ফয়সালা করছ?
৬৮ : ৩৭ اَمۡ لَكُمۡ كِتٰبٌ فِیۡهِ تَدۡرُسُوۡنَ ﴿ۙ۳۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তোমাদের কাছে কি কোন কিতাব আছে যাতে তোমরা পাঠ করছ?
৬৮ : ৩৮ اِنَّ لَكُمۡ فِیۡهِ لَمَا تَخَیَّرُوۡنَ ﴿ۚ۳۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

যে, নিশ্চয় তোমাদের জন্য সেখানে রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?
৬৮ : ৩৯ اَمۡ لَكُمۡ اَیۡمَانٌ عَلَیۡنَا بَالِغَۃٌ اِلٰی یَوۡمِ الۡقِیٰمَۃِ ۙ اِنَّ لَكُمۡ لَمَا تَحۡكُمُوۡنَ ﴿ۚ۳۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অথবা তোমাদের জন্য কি আমার উপর কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন অঙ্গীকার রয়েছে যে, অবশ্যই তোমাদের জন্য থাকবে তোমরা যা ফয়সালা করবে?
৬৮ : ৪০ سَلۡهُمۡ اَیُّهُمۡ بِذٰلِكَ زَعِیۡمٌ ﴿ۚۛ۴۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, কে এ ব্যাপারে যিম্মাদার?
৬৮ : ৪১ اَمۡ لَهُمۡ شُرَكَآءُ ۚۛ فَلۡیَاۡتُوۡا بِشُرَكَآئِهِمۡ اِنۡ كَانُوۡا صٰدِقِیۡنَ ﴿۴۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অথবা তাদের জন্য কি অনেক শরীক আছে? তাহলে তারা তাদের শরীকদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
৬৮ : ৪২ یَوۡمَ یُكۡشَفُ عَنۡ سَاقٍ وَّ یُدۡعَوۡنَ اِلَی السُّجُوۡدِ فَلَا یَسۡتَطِیۡعُوۡنَ ﴿ۙ۴۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

সে দিন পায়ের গোছা* উন্মোচন করা হবে। আর তাদেরকে সিজদা করার জন্য আহবান জানানো হবে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।
৬৮ : ৪৩ خَاشِعَۃً اَبۡصَارُهُمۡ تَرۡهَقُهُمۡ ذِلَّۃٌ ؕ وَ قَدۡ كَانُوۡا یُدۡعَوۡنَ اِلَی السُّجُوۡدِ وَ هُمۡ سٰلِمُوۡنَ ﴿۴۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তাদের দৃষ্টিসমূহ অবনত অবস্থায় থাকবে, অপমান তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। অথচ তাদেরকে তো নিরাপদ অবস্থায় সিজদা করার জন্য আহবান করা হত (তখন তো তারা সিজদা করেনি)।
৬৮ : ৪৪ فَذَرۡنِیۡ وَ مَنۡ یُّكَذِّبُ بِهٰذَا الۡحَدِیۡثِ ؕ سَنَسۡتَدۡرِجُهُمۡ مِّنۡ حَیۡثُ لَا یَعۡلَمُوۡنَ ﴿ۙ۴۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অতএব ছেড়ে দাও আমাকে এবং যারা এ বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে। আমি তাদেরকে ধীরে ধীরে এমনভাবে পাকড়াও করব যে, তারা জানতে পারবে না।
৬৮ : ৪৫ وَ اُمۡلِیۡ لَهُمۡ ؕ اِنَّ كَیۡدِیۡ مَتِیۡنٌ ﴿۴۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর আমি তাদেরকে অবকাশ দেব। অবশ্যই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
৬৮ : ৪৬ اَمۡ تَسۡـَٔلُهُمۡ اَجۡرًا فَهُمۡ مِّنۡ مَّغۡرَمٍ مُّثۡقَلُوۡنَ ﴿ۚ۴۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাচ্ছ? ফলে তারা ঋণের কারণে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ছে।
৬৮ : ৪৭ اَمۡ عِنۡدَهُمُ الۡغَیۡبُ فَهُمۡ یَكۡتُبُوۡنَ ﴿۴۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অথবা তাদের কাছে কি ‘গায়েব’ (লওহে মাহফুয) আছে যে, তারা লিখে রাখছে।
৬৮ : ৪৮ فَاصۡبِرۡ لِحُكۡمِ رَبِّكَ وَ لَا تَكُنۡ كَصَاحِبِ الۡحُوۡتِ ۘ اِذۡ نَادٰی وَ هُوَ مَكۡظُوۡمٌ ﴿ؕ۴۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অতএব তুমি তোমার রবের হুকুমের জন্য ধৈর্যধারণ কর। আর তুমি মাছওয়ালার মত হয়ো না, যখন সে দুঃখে কাতর হয়ে ডেকেছিল।
৬৮ : ৪৯ لَوۡ لَاۤ اَنۡ تَدٰرَكَهٗ نِعۡمَۃٌ مِّنۡ رَّبِّهٖ لَنُبِذَ بِالۡعَرَآءِ وَ هُوَ مَذۡمُوۡمٌ ﴿۴۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

যদি তার রবের অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে নিন্দিত অবস্থায় উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
৬৮ : ৫০ فَاجۡتَبٰهُ رَبُّهٗ فَجَعَلَهٗ مِنَ الصّٰلِحِیۡنَ ﴿۵۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারপর তার রব তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
৬৮ : ৫১ وَ اِنۡ یَّكَادُ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا لَیُزۡلِقُوۡنَكَ بِاَبۡصَارِهِمۡ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكۡرَ وَ یَقُوۡلُوۡنَ اِنَّهٗ لَمَجۡنُوۡنٌ ﴿ۘ۵۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর কাফিররা যখন উপদেশবাণী শুনে তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়ে ফেলবে, আর তারা বলে, ‘এ তো এক পাগল’।
৬৮ : ৫২ وَ مَا هُوَ اِلَّا ذِكۡرٌ لِّلۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۵۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর এ কুরআন তো সৃষ্টিকুলের জন্য শুধুই উপদেশবাণী।