![]()
![]()
৪০ : ১ حٰمٓ ۚ﴿۱﴾
![]()
হা-মীম।
৪০ : ২ تَنۡزِیۡلُ الۡكِتٰبِ مِنَ اللّٰهِ الۡعَزِیۡزِ الۡعَلِیۡمِ ۙ﴿۲﴾
![]()
মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞানী আল্লাহর পক্ষ থেকে এই কিতাব নাযিলকৃত।
৪০ : ৩ غَافِرِ الذَّنۡۢبِ وَ قَابِلِ التَّوۡبِ شَدِیۡدِ الۡعِقَابِ ۙ ذِی الطَّوۡلِ ؕ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ؕ اِلَیۡهِ الۡمَصِیۡرُ ﴿۳﴾

তিনি পাপ ক্ষমাকারী, তাওবা কবূলকারী, কঠোর আযাবদাতা, অনুগ্রহ বর্ষণকারী। তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন।
৪০ : ৪مَا یُجَادِلُ فِیۡۤ اٰیٰتِ اللّٰهِ اِلَّا الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا فَلَا یَغۡرُرۡكَ تَقَلُّبُهُمۡ فِی الۡبِلَادِ ﴿۴﴾

কাফিররাই কেবল আল্লাহর আয়াতসমূহ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয়। সুতরাং দেশে দেশে তাদের অবাধ বিচরণ যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে।
৪০ : ৫ كَذَّبَتۡ قَبۡلَهُمۡ قَوۡمُ نُوۡحٍ وَّ الۡاَحۡزَابُ مِنۡۢ بَعۡدِهِمۡ ۪ وَ هَمَّتۡ كُلُّ اُمَّۃٍۭ بِرَسُوۡلِهِمۡ لِیَاۡخُذُوۡهُ وَ جٰدَلُوۡا بِالۡبَاطِلِ لِیُدۡحِضُوۡا بِهِ الۡحَقَّ فَاَخَذۡتُهُمۡ ۟ فَكَیۡفَ كَانَ عِقَابِ ﴿۵﴾

এদের পূর্বে নূহের কওম এবং তাদের পরে অনেক দলও অস্বীকার করেছিল। প্রত্যেক উম্মতই স্ব স্ব রাসূলকে পাকড়াও করার সংকল্প করেছিল এবং সত্যকে বিদূরীত করার উদ্দেশ্যে তারা অসার বিতর্কে লিপ্ত হয়েছিল। ফলে আমি তাদেরকে পাকড়াও করলাম। সুতরাং কেমন ছিল আমার আযাব!
৪০ : ৬ وَ كَذٰلِكَ حَقَّتۡ كَلِمَتُ رَبِّكَ عَلَی الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡۤا اَنَّهُمۡ اَصۡحٰبُ النَّارِ ۘ﴿ؔ۶﴾

আর এভাবে কাফিরদের ক্ষেত্রে তোমার রবের বাণী সত্যে পরিণত হল যে, নিশ্চয় এরা জাহান্নামী।
৪০ : ৭ اَلَّذِیۡنَ یَحۡمِلُوۡنَ الۡعَرۡشَ وَ مَنۡ حَوۡلَهٗ یُسَبِّحُوۡنَ بِحَمۡدِ رَبِّهِمۡ وَ یُؤۡمِنُوۡنَ بِهٖ وَ یَسۡتَغۡفِرُوۡنَ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا ۚ رَبَّنَا وَسِعۡتَ كُلَّ شَیۡءٍ رَّحۡمَۃً وَّ عِلۡمًا فَاغۡفِرۡ لِلَّذِیۡنَ تَابُوۡا وَ اتَّبَعُوۡا سَبِیۡلَكَ وَ قِهِمۡ عَذَابَ الۡجَحِیۡمِ ﴿۷﴾

যারা আরশকে ধারণ করে এবং যারা এর চারপাশে রয়েছে, তারা তাদের রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠ করে এবং তাঁর প্রতি ঈমান রাখে। আর মুমিনদের জন্য ক্ষমা চেয়ে বলে যে, ‘হে আমাদের রব, আপনি রহমত ও জ্ঞান দ্বারা সব কিছুকে পরিব্যপ্ত করে রয়েছেন। অতএব যারা তাওবা করে এবং আপনার পথ অনুসরণ করে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আর জাহান্নামের আযাব থেকে আপনি তাদেরকে রক্ষা করুন’।
৪০ : ৮ رَبَّنَا وَ اَدۡخِلۡهُمۡ جَنّٰتِ عَدۡنِۣ الَّتِیۡ وَعَدۡتَّهُمۡ وَ مَنۡ صَلَحَ مِنۡ اٰبَآئِهِمۡ وَ اَزۡوَاجِهِمۡ وَ ذُرِّیّٰتِهِمۡ ؕ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَكِیۡمُ ۙ﴿۸﴾

‘হে আমাদের রব, আর আপনি তাদেরকে স্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করান, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন। আর তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নি ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে যারা সৎকর্ম সম্পাদন করেছে তাদেরকেও। নিশ্চয় আপনি মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাময়।’
৪০ : ৯ وَ قِهِمُ السَّیِّاٰتِ ؕ وَ مَنۡ تَقِ السَّیِّاٰتِ یَوۡمَئِذٍ فَقَدۡ رَحِمۡتَهٗ ؕ وَ ذٰلِكَ هُوَ الۡفَوۡزُ الۡعَظِیۡمُ ﴿۹﴾

‘আর আপনি তাদের অপরাধের আযাব হতে রক্ষা করুন এবং সেদিন আপনি যাকে অপরাধের আযাব থেকে রক্ষা করবেন, অবশ্যই তাকে অনুগ্রহ করবেন। আর এটিই মহাসাফল্য।’
৪০ : ১০ اِنَّ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا یُنَادَوۡنَ لَمَقۡتُ اللّٰهِ اَكۡبَرُ مِنۡ مَّقۡتِكُمۡ اَنۡفُسَكُمۡ اِذۡ تُدۡعَوۡنَ اِلَی الۡاِیۡمَانِ فَتَكۡفُرُوۡنَ ﴿۱۰﴾

নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে তাদেরকে উচ্চকণ্ঠে বলা হবে; ‘তোমাদের নিজদের প্রতি তোমাদের (আজকের) এ অসন্তোষ অপেক্ষা অবশ্যই আল্লাহর অসন্তোষ অধিকতর ছিল, যখন তোমাদেরকে ঈমানের প্রতি আহবান করা হয়েছিল তারপর তোমরা তা অস্বীকার করেছিলে’।
৪০ : ১১ قَالُوۡا رَبَّنَاۤ اَمَتَّنَا اثۡنَتَیۡنِ وَ اَحۡیَیۡتَنَا اثۡنَتَیۡنِ فَاعۡتَرَفۡنَا بِذُنُوۡبِنَا فَهَلۡ اِلٰی خُرُوۡجٍ مِّنۡ سَبِیۡلٍ ﴿۱۱﴾

তারা বলবে, ‘হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে দু’বার মৃত্যু দিয়েছেন এবং দু’বার জীবন দিয়েছেন। অতঃপর আমরা আমাদের অপরাধ স্বীকার করছি। অতএব (জাহান্নাম থেকে) বের হবার কোন পথ আছে কি’?
৪০ : ১২ ذٰلِكُمۡ بِاَنَّهٗۤ اِذَا دُعِیَ اللّٰهُ وَحۡدَهٗ كَفَرۡتُمۡ ۚ وَ اِنۡ یُّشۡرَكۡ بِهٖ تُؤۡمِنُوۡا ؕ فَالۡحُكۡمُ لِلّٰهِ الۡعَلِیِّ الۡكَبِیۡرِ ﴿۱۲﴾

[তাদেরকে বলা হবে] ‘এটা তো এজন্য যে, যখন আল্লাহকে এককভাবে ডাকা হত তখন তোমরা তাঁকে অস্বীকার করতে আর যখন তাঁর সাথে শরীক করা হত তখন তোমরা বিশ্বাস করতে। সুতরাং যাবতীয় কর্তৃত্ব সমুচ্চ, মহান আল্লাহর’।
৪০ : ১৩ هُوَ الَّذِیۡ یُرِیۡكُمۡ اٰیٰتِهٖ وَ یُنَزِّلُ لَكُمۡ مِّنَ السَّمَآءِ رِزۡقًا ؕ وَ مَا یَتَذَكَّرُ اِلَّا مَنۡ یُّنِیۡبُ ﴿۱۳﴾

তিনিই তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী দেখান এবং আকাশ থেকে তোমাদের জন্য রিযক পাঠান। আর যে আল্লাহ অভিমুখী সেই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে থাকে।
৪০ : ১৪ فَادۡعُوا اللّٰهَ مُخۡلِصِیۡنَ لَهُ الدِّیۡنَ وَ لَوۡ كَرِهَ الۡكٰفِرُوۡنَ ﴿۱۴﴾
![]()
সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ডাক, তাঁর উদ্দেশ্যে দীনকে একনিষ্ঠভাবে নিবেদিত করে। যদিও কাফিররা অপছন্দ করে।
৪০ : ১৫ رَفِیۡعُ الدَّرَجٰتِ ذُو الۡعَرۡشِ ۚ یُلۡقِی الرُّوۡحَ مِنۡ اَمۡرِهٖ عَلٰی مَنۡ یَّشَآءُ مِنۡ عِبَادِهٖ لِیُنۡذِرَ یَوۡمَ التَّلَاقِ ﴿ۙ۱۵﴾

আল্লাহ সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী, আরশের অধিপতি, তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে যার প্রতি ইচ্ছা আপন নির্দেশে তিনি ওহী পাঠান, যেন সে মহামিলন সম্পর্কে সতর্ক করেন।
৪০ : ১৬ یَوۡمَ هُمۡ بٰرِزُوۡنَ ۬ۚ لَا یَخۡفٰی عَلَی اللّٰهِ مِنۡهُمۡ شَیۡءٌ ؕ لِمَنِ الۡمُلۡكُ الۡیَوۡمَ ؕ لِلّٰهِ الۡوَاحِدِ الۡقَهَّارِ ﴿۱۶﴾

যে দিন লোকেরা প্রকাশ হয়ে পড়বে। সে দিন আল্লাহর নিকট তাদের কিছুই গোপন থাকবে না। ‘আজ রাজত্ব কার’? প্রবল প্রতাপশালী এক আল্লাহর।
৪০ : ১৭ اَلۡیَوۡمَ تُجۡزٰی كُلُّ نَفۡسٍۭ بِمَا كَسَبَتۡ ؕ لَا ظُلۡمَ الۡیَوۡمَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ سَرِیۡعُ الۡحِسَابِ ﴿۱۷﴾

আজ প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার অর্জন অনুসারে প্রতিদান দেয়া হবে। আজ কোন যুল্ম নেই। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাবগ্রহণকারী।
৪০ : ১৮ وَ اَنۡذِرۡهُمۡ یَوۡمَ الۡاٰزِفَۃِ اِذِ الۡقُلُوۡبُ لَدَی الۡحَنَاجِرِ كٰظِمِیۡنَ ۬ؕ مَا لِلظّٰلِمِیۡنَ مِنۡ حَمِیۡمٍ وَّ لَا شَفِیۡعٍ یُّطَاعُ ﴿ؕ۱۸﴾

আর তুমি তাদের আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করে দাও। যখন তাদের প্রাণ কণ্ঠাগত হবে দুঃখ, কষ্ট সংবরণ অবস্থায়। যালিমদের জন্য নেই কোন অকৃত্রিম বন্ধু, নেই এমন কোন সুপারিশকারী যাকে গ্রাহ্য করা হবে।
৪০ : ১৯ یَعۡلَمُ خَآئِنَۃَ الۡاَعۡیُنِ وَ مَا تُخۡفِی الصُّدُوۡرُ ﴿۱۹﴾
![]()
চক্ষুসমূহের খেয়ানত এবং অন্তরসমূহ যা গোপন রাখে তিনি তা জানেন।
৪০ : ২০ وَ اللّٰهُ یَقۡضِیۡ بِالۡحَقِّ ؕ وَ الَّذِیۡنَ یَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِهٖ لَا یَقۡضُوۡنَ بِشَیۡءٍ ؕ اِنَّ اللّٰهَ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ ﴿۲۰﴾

আর আল্লাহ সঠিকভাবে ফয়সালা করেন এবং তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদের ডাকে তারা কোন কিছুর ফয়সালা করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
৪০ : ২১ اَوَ لَمۡ یَسِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَیَنۡظُرُوۡا كَیۡفَ كَانَ عَاقِبَۃُ الَّذِیۡنَ كَانُوۡا مِنۡ قَبۡلِهِمۡ ؕ كَانُوۡا هُمۡ اَشَدَّ مِنۡهُمۡ قُوَّۃً وَّ اٰثَارًا فِی الۡاَرۡضِ فَاَخَذَهُمُ اللّٰهُ بِذُنُوۡبِهِمۡ ؕ وَ مَا كَانَ لَهُمۡ مِّنَ اللّٰهِ مِنۡ وَّاقٍ ﴿۲۱﴾

এরা কি যমীনে বিচরণ করে না? তাহলে দেখত, তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের পরিণতি কেমন হয়েছিল? তারা এদের তুলনায় যমীনে শক্তিমত্তা ও প্রভাব বিস্তারে প্রবলতর ছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের পাকড়াও করলেন তাদের পাপাচারের কারণে। আর তাদের জন্য ছিল না আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন রক্ষাকারী।
৪০ : ২২ ذٰلِكَ بِاَنَّهُمۡ كَانَتۡ تَّاۡتِیۡهِمۡ رُسُلُهُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ فَكَفَرُوۡا فَاَخَذَهُمُ اللّٰهُ ؕ اِنَّهٗ قَوِیٌّ شَدِیۡدُ الۡعِقَابِ ﴿۲۲﴾

এটি এ কারণে যে, তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আসত, কিন্তু তারা তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করত। ফলে আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করলেন। নিশ্চয় তিনি শক্তিমান, আযাবদানে কঠোর।
৪০ : ২৩ وَ لَقَدۡ اَرۡسَلۡنَا مُوۡسٰی بِاٰیٰتِنَا وَ سُلۡطٰنٍ مُّبِیۡنٍ ﴿ۙ۲۳﴾
![]()
আর অবশ্যই আমি মূসাকে আমার নিদর্শনাবলী ও স্পষ্ট প্রমাণসহ প্রেরণ করেছিলাম।
৪০ : ২৪ اِلٰی فِرۡعَوۡنَ وَ هَامٰنَ وَ قَارُوۡنَ فَقَالُوۡا سٰحِرٌ كَذَّابٌ ﴿۲۴﴾
![]()
ফির‘আউন, হামান ও কারূনের প্রতি। অতঃপর তারা বলল, ‘সে এক যাদুকর, চরম মিথ্যাবাদী’।
৪০ : ২৫ فَلَمَّا جَآءَهُمۡ بِالۡحَقِّ مِنۡ عِنۡدِنَا قَالُوا اقۡتُلُوۡۤا اَبۡنَآءَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا مَعَهٗ وَ اسۡتَحۡیُوۡا نِسَآءَهُمۡ ؕ وَ مَا كَیۡدُ الۡكٰفِرِیۡنَ اِلَّا فِیۡ ضَلٰلٍ ﴿۲۵﴾

অতঃপর যখন মূসা আমার কাছ থেকে সত্য নিয়ে তাদের কাছে উপস্থিত হয়েছিল, তখন তারা বলল, ‘যারা তার সাথে ঈমান এনেছে তোমরা তাদের ছেলে-সন্তানদেরকে হত্যা কর এবং তাদের মেয়ে-সন্তানদেরকে জীবিত রাখ’। আর কাফিরদের ষড়যন্ত্র কেবল ব্যর্থই হবে।
৪০ : ২৬ وَ اللّٰهُ یَقۡضِیۡ بِالۡحَقِّ ؕ وَ الَّذِیۡنَ یَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِهٖ لَا یَقۡضُوۡنَ بِشَیۡءٍ ؕ اِنَّ اللّٰهَ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ ﴿۲۰﴾

আর আল্লাহ সঠিকভাবে ফয়সালা করেন এবং তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদের ডাকে তারা কোন কিছুর ফয়সালা করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
৪০ : ২৭ وَ اللّٰهُ یَقۡضِیۡ بِالۡحَقِّ ؕ وَ الَّذِیۡنَ یَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِهٖ لَا یَقۡضُوۡنَ بِشَیۡءٍ ؕ اِنَّ اللّٰهَ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ ﴿۲۰﴾

আর আল্লাহ সঠিকভাবে ফয়সালা করেন এবং তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদের ডাকে তারা কোন কিছুর ফয়সালা করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
৪০ : ২৮ وَ اللّٰهُ یَقۡضِیۡ بِالۡحَقِّ ؕ وَ الَّذِیۡنَ یَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِهٖ لَا یَقۡضُوۡنَ بِشَیۡءٍ ؕ اِنَّ اللّٰهَ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ ﴿۲۰﴾

আর আল্লাহ সঠিকভাবে ফয়সালা করেন এবং তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদের ডাকে তারা কোন কিছুর ফয়সালা করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
৪০ : ২৯ وَ اللّٰهُ یَقۡضِیۡ بِالۡحَقِّ ؕ وَ الَّذِیۡنَ یَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِهٖ لَا یَقۡضُوۡنَ بِشَیۡءٍ ؕ اِنَّ اللّٰهَ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ ﴿۲۰﴾

আর আল্লাহ সঠিকভাবে ফয়সালা করেন এবং তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদের ডাকে তারা কোন কিছুর ফয়সালা করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
৪০ : ৩০ وَ اللّٰهُ یَقۡضِیۡ بِالۡحَقِّ ؕ وَ الَّذِیۡنَ یَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِهٖ لَا یَقۡضُوۡنَ بِشَیۡءٍ ؕ اِنَّ اللّٰهَ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ ﴿۲۰﴾

আর আল্লাহ সঠিকভাবে ফয়সালা করেন এবং তাঁকে বাদ দিয়ে তারা যাদের ডাকে তারা কোন কিছুর ফয়সালা করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ, তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
৪০ : ৩১ مِثۡلَ دَاۡبِ قَوۡمِ نُوۡحٍ وَّ عَادٍ وَّ ثَمُوۡدَ وَ الَّذِیۡنَ مِنۡۢ بَعۡدِهِمۡ ؕ وَ مَا اللّٰهُ یُرِیۡدُ ظُلۡمًا لِّلۡعِبَادِ ﴿۳۱﴾

‘যেমন ঘটেছিল নূহ, ‘আদ ও ছামূদ-এর কওম এবং তাদের পরবর্তীদের। আর আল্লাহ বান্দাদের উপর কোন যুলম করতে চান না।’
৪০ : ৩২ وَ یٰقَوۡمِ اِنِّیۡۤ اَخَافُ عَلَیۡكُمۡ یَوۡمَ التَّنَادِ ﴿ۙ۳۲﴾
![]()
‘আর হে আমার কওম, আমি তোমাদের জন্য পারস্পরিক ভয়ার্ত আহবান দিনের আশঙ্কা করি’।
৪০ : ৩৩ یَوۡمَ تُوَلُّوۡنَ مُدۡبِرِیۡنَ ۚ مَا لَكُمۡ مِّنَ اللّٰهِ مِنۡ عَاصِمٍ ۚ وَ مَنۡ یُّضۡلِلِ اللّٰهُ فَمَا لَهٗ مِنۡ هَادٍ ﴿۳۳﴾

‘যেদিন তোমরা পিছনে পালাতে চাইবে আল্লাহর থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করার জন্য কেউ থাকবে না; আর আল্লাহ যাকে বিভ্রান্ত করেন তার জন্য কোন হিদায়াতকারী নেই’।
৪০ : ৩৪ وَ لَقَدۡ جَآءَكُمۡ یُوۡسُفُ مِنۡ قَبۡلُ بِالۡبَیِّنٰتِ فَمَا زِلۡتُمۡ فِیۡ شَكٍّ مِّمَّا جَآءَكُمۡ بِهٖ ؕ حَتّٰۤی اِذَا هَلَكَ قُلۡتُمۡ لَنۡ یَّبۡعَثَ اللّٰهُ مِنۡۢ بَعۡدِهٖ رَسُوۡلًا ؕ كَذٰلِكَ یُضِلُّ اللّٰهُ مَنۡ هُوَ مُسۡرِفٌ مُّرۡتَابُۨ ﴿ۚۖ۳۴﴾

আর অবশ্যই পূর্বে তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ ইউসুফ এসেছিল, সে যা নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছিল তা নিয়ে তোমরা সন্দেহে স্থির ছিলে; এমনকি যখন সে মারা গেল তখন তোমরা বললে, ‘আল্লাহ তার পরে কখনো কোন রাসূল পাঠাবেন না’। যে সীমালংঘনকারী, সংশয়বাদী, আল্লাহ তাকে এভাবেই পথভ্রষ্ট করেন।
৪০ : ৩৫ الَّذِیۡنَ یُجَادِلُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِ اللّٰهِ بِغَیۡرِ سُلۡطٰنٍ اَتٰهُمۡ ؕ كَبُرَ مَقۡتًا عِنۡدَ اللّٰهِ وَ عِنۡدَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا ؕ كَذٰلِكَ یَطۡبَعُ اللّٰهُ عَلٰی كُلِّ قَلۡبِ مُتَكَبِّرٍ جَبَّارٍ ﴿۳۵﴾

যারা নিজদের কাছে আগত কোন দলীল-প্রমাণ ছাড়া আল্লাহর নিদর্শনাবলী সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়। তাদের এ কাজ আল্লাহ ও মুমিনদের দৃষ্টিতে অতিশয় ঘৃণার্হ। এভাবেই আল্লাহ প্রত্যেক অহঙ্কারী স্বৈরাচারীর অন্তরে সীল মেরে দেন।
৪০ : ৩৬ وَ قَالَ فِرۡعَوۡنُ یٰهَامٰنُ ابۡنِ لِیۡ صَرۡحًا لَّعَلِّیۡۤ اَبۡلُغُ الۡاَسۡبَابَ ﴿ۙ۳۶﴾
![]()
ফির‘আউন আরও বলল, ‘হে হামান, আমার জন্য একটি উঁচু ইমারত বানাও যাতে আমি অবলম্বন পাই’।
৪০ : ৩৭ اَسۡبَابَ السَّمٰوٰتِ فَاَطَّلِعَ اِلٰۤی اِلٰهِ مُوۡسٰی وَ اِنِّیۡ لَاَظُنُّهٗ كَاذِبًا ؕ وَ كَذٰلِكَ زُیِّنَ لِفِرۡعَوۡنَ سُوۡٓءُ عَمَلِهٖ وَ صُدَّ عَنِ السَّبِیۡلِ ؕ وَ مَا كَیۡدُ فِرۡعَوۡنَ اِلَّا فِیۡ تَبَابٍ ﴿۳۷﴾

‘আসমানে আরোহরণের অবলম্বন, যাতে আমি মূসার ইলাহকে দেখতে পাই, আর আমি কেবল তাকে মিথ্যাবাদী মনে করি’। আর এভাবে ফির‘আউনের কাছে তার মন্দ কাজ শোভিত করে দেয়া হয়েছিল এবং তাকে বাধা দেয়া হয়েছিল সৎপথ থেকে। আর ফির‘আউনের ষড়যন্ত্র কেবল ব্যর্থই হয়েছিল।
৪০ : ৩৮ وَ قَالَ الَّذِیۡۤ اٰمَنَ یٰقَوۡمِ اتَّبِعُوۡنِ اَهۡدِكُمۡ سَبِیۡلَ الرَّشَادِ ﴿ۚ۳۸﴾
![]()
আর যে ব্যক্তি ঈমান এনেছিল, সে বলল, ‘হে আমার কওম, তোমরা আমার আনুগত্য কর; আমি তোমাদেরকে সঠিক পথ দেখাব’।
৪০ : ৩৯ یٰقَوۡمِ اِنَّمَا هٰذِهِ الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَا مَتَاعٌ ۫ وَّ اِنَّ الۡاٰخِرَۃَ هِیَ دَارُ الۡقَرَارِ ﴿۳۹﴾

‘হে আমার কওম, এ দুনিয়ার জীবন কেবল ক্ষণকালের ভোগ; আর নিশ্চয় আখিরাতই হল স্থায়ী আবাস’।
৪০ : ৪০ مَنۡ عَمِلَ سَیِّئَۃً فَلَا یُجۡزٰۤی اِلَّا مِثۡلَهَا ۚ وَ مَنۡ عَمِلَ صَالِحًا مِّنۡ ذَكَرٍ اَوۡ اُنۡثٰی وَ هُوَ مُؤۡمِنٌ فَاُولٰٓئِكَ یَدۡخُلُوۡنَ الۡجَنَّۃَ یُرۡزَقُوۡنَ فِیۡهَا بِغَیۡرِ حِسَابٍ ﴿۴۰﴾

‘কেউ পাপ কাজ করলে তাকে শুধু পাপের সমান প্রতিদান দেয়া হবে আর যে পুরুষ অথবা নারী মুমিন হয়ে সৎকাজ করবে, তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেখানে তাদেরকে অগণিত রিয্ক দেয়া হবে।’
৪০ : ৪১ وَ یٰقَوۡمِ مَا لِیۡۤ اَدۡعُوۡكُمۡ اِلَی النَّجٰوۃِ وَ تَدۡعُوۡنَنِیۡۤ اِلَی النَّارِ ﴿ؕ۴۱﴾
![]()
‘আর হে আমার কওম, আমার কী হল যে, আমি তোমাদেরকে মুক্তির দিকে ডাকছি আর তোমরা আমাকে ডাকছ আগুনের দিকে!’
৪০ : ৪২ تَدۡعُوۡنَنِیۡ لِاَكۡفُرَ بِاللّٰهِ وَ اُشۡرِكَ بِهٖ مَا لَیۡسَ لِیۡ بِهٖ عِلۡمٌ ۫ وَّ اَنَا اَدۡعُوۡكُمۡ اِلَی الۡعَزِیۡزِ الۡغَفَّارِ ﴿۴۲﴾

‘তোমরা আমাকে ডাকছ আমি যেন আল্লাহর সাথে কুফরী করি, তাঁর সাথে শরীক করি যে ব্যাপারে আমার কোন জ্ঞান নেই; আর আমি তোমাদেরকে ডাকছি মহাপরাক্রমশালী ও পরম ক্ষমাশীলের দিকে।’
৪০ : ৪৩ لَا جَرَمَ اَنَّمَا تَدۡعُوۡنَنِیۡۤ اِلَیۡهِ لَیۡسَ لَهٗ دَعۡوَۃٌ فِی الدُّنۡیَا وَ لَا فِی الۡاٰخِرَۃِ وَ اَنَّ مَرَدَّنَاۤ اِلَی اللّٰهِ وَ اَنَّ الۡمُسۡرِفِیۡنَ هُمۡ اَصۡحٰبُ النَّارِ ﴿۴۳﴾

‘এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই যে, যার দিকে তোমরা আমাকে ডাকছ, সে দুনিয়া বা আখিরাতে কারো ডাকের যোগ্য নয়। আর আমাদের প্রত্যাবর্তন হবে আল্লাহর দিকে এবং নিশ্চয় সীমালংঘনকারীরা হবে আগুনের সাথী’।
৪০ : ৪৪ فَسَتَذۡكُرُوۡنَ مَاۤ اَقُوۡلُ لَكُمۡ ؕ وَ اُفَوِّضُ اَمۡرِیۡۤ اِلَی اللّٰهِ ؕ اِنَّ اللّٰهَ بَصِیۡرٌۢ بِالۡعِبَادِ ﴿۴۴﴾

‘আমি তোমাদেরকে যা বলছি, অচিরেই তোমরা তা স্মরণ করবে। আর আমার বিষয়টি আমি আল্লাহর নিকট সমর্পণ করছি; নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে সর্বদ্রষ্টা।’
৪০ : ৪৫ فَوَقٰىهُ اللّٰهُ سَیِّاٰتِ مَا مَكَرُوۡا وَ حَاقَ بِاٰلِ فِرۡعَوۡنَ سُوۡٓءُ الۡعَذَابِ ﴿ۚ۴۵﴾

অতঃপর তাদের ষড়যন্ত্রের অশুভ পরিণাম থেকে আল্লাহ তাকে রক্ষা করলেন আর ফির‘আউনের অনুসারীদেরকে ঘিরে ফেলল কঠিন আযাব।
৪০ : ৪৬ اَلنَّارُ یُعۡرَضُوۡنَ عَلَیۡهَا غُدُوًّا وَّ عَشِیًّا ۚ وَ یَوۡمَ تَقُوۡمُ السَّاعَۃُ ۟ اَدۡخِلُوۡۤا اٰلَ فِرۡعَوۡنَ اَشَدَّ الۡعَذَابِ ﴿۴۶﴾

আগুন, তাদেরকে সকাল-সন্ধ্যায় তার সামনে উপস্থিত করা হয়, আর যেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে (সেদিন ঘোষণা করা হবে), ‘ফির‘আউনের অনুসারীদেরকে কঠোরতম আযাবে প্রবেশ করাও।
৪০ : ৪৭ وَ اِذۡ یَتَحَآجُّوۡنَ فِی النَّارِ فَیَقُوۡلُ الضُّعَفٰٓؤُا لِلَّذِیۡنَ اسۡتَكۡبَرُوۡۤا اِنَّا كُنَّا لَكُمۡ تَبَعًا فَهَلۡ اَنۡتُمۡ مُّغۡنُوۡنَ عَنَّا نَصِیۡبًا مِّنَ النَّارِ ﴿۴۷﴾

আর জাহান্নামে তারা যখন বাদানুবাদে লিপ্ত হবে তখন দুর্বলরা, যারা অহঙ্কার করেছিল, তাদেরকে বলবে, ‘আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম, অতএব তোমরা কি আমাদের থেকে আগুনের কিয়দংশ বহন করবে’?
৪০ : ৪৮ قَالَ الَّذِیۡنَ اسۡتَكۡبَرُوۡۤا اِنَّا كُلٌّ فِیۡهَاۤ ۙ اِنَّ اللّٰهَ قَدۡ حَكَمَ بَیۡنَ الۡعِبَادِ ﴿۴۸﴾

অহঙ্কারীরা বলবে, ‘আমরা সবাই এতে আছি; নিশ্চয় আল্লাহ বান্দাদের মধ্যে ফয়সালা করে ফেলেছেন।’
৪০ : ৪৯ وَ قَالَ الَّذِیۡنَ فِی النَّارِ لِخَزَنَۃِ جَهَنَّمَ ادۡعُوۡا رَبَّكُمۡ یُخَفِّفۡ عَنَّا یَوۡمًا مِّنَ الۡعَذَابِ ﴿۴۹﴾

আর যারা আগুনে থাকবে তারা আগুনের দারোয়ানদেরকে বলবে, ‘তোমাদের রবকে একটু ডাকো না! তিনি যেন একটি দিন আমাদের আযাব লাঘব করে দেন।’
৪০ : ৫০ قَالُوۡۤا اَوَ لَمۡ تَكُ تَاۡتِیۡكُمۡ رُسُلُكُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ ؕ قَالُوۡا بَلٰی ؕ قَالُوۡا فَادۡعُوۡا ۚ وَ مَا دُعٰٓؤُا الۡكٰفِرِیۡنَ اِلَّا فِیۡ ضَلٰلٍ ﴿۵۰﴾

তারা বলবে, ‘তোমাদের কাছে কি সুস্পষ্ট প্রমাণাদিসহ তোমাদের রাসূলগণ আসেনি’? জাহান্নামীরা বলবে, ‘হ্যাঁ অবশ্যই’। দারোয়ানরা বলবে, ‘তবে তোমরাই দো‘আ কর। আর কাফিরদের দো‘আ কেবল নিষ্ফলই হয়’।
৪০ : ৫১ اِنَّا لَنَنۡصُرُ رُسُلَنَا وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا فِی الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا وَ یَوۡمَ یَقُوۡمُ الۡاَشۡهَادُ ﴿ۙ۵۱﴾

নিশ্চয় আমি আমার রাসূলদেরকে ও মুমিনদেরকে দুনিয়ার জীবনে এবং যেদিন সাক্ষীগণ দন্ডায়মান হবে সেদিন সাহায্য করব।
৪০ : ৫২ یَوۡمَ لَا یَنۡفَعُ الظّٰلِمِیۡنَ مَعۡذِرَتُهُمۡ وَ لَهُمُ اللَّعۡنَۃُ وَ لَهُمۡ سُوۡٓءُ الدَّارِ ﴿۵۲﴾

যেদিন যালিমদের কোন ওযর-আপত্তি তাদের উপকার করবে না। আর তাদের জন্য রয়েছে লা‘নত এবং তাদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট নিবাস।
৪০ : ৫৩ وَ لَقَدۡ اٰتَیۡنَا مُوۡسَی الۡهُدٰی وَ اَوۡرَثۡنَا بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ الۡكِتٰبَ ﴿ۙ۵۳﴾
![]()
আর অবশ্যই আমি মূসাকে হিদায়াত দান করেছিলাম এবং বনী ইসরাঈলকে কিতাবের উত্তরাধিকারী করেছিলাম,
৪০ : ৫৪ هُدًی وَّ ذِكۡرٰی لِاُولِی الۡاَلۡبَابِ ﴿۵۴﴾
![]()
যা জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্নদের জন্য হিদায়াত ও উপদেশ।
৪০ : ৫৫ فَاصۡبِرۡ اِنَّ وَعۡدَ اللّٰهِ حَقٌّ وَّ اسۡتَغۡفِرۡ لِذَنۡۢبِكَ وَ سَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ بِالۡعَشِیِّ وَ الۡاِبۡكَارِ ﴿۵۵﴾

কাজেই তুমি ধৈর্য ধারণ কর, নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আর তুমি তোমার ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং সকাল- সন্ধ্যায় তোমার রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠ কর।
৪০ : ৫৬ اِنَّ الَّذِیۡنَ یُجَادِلُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِ اللّٰهِ بِغَیۡرِ سُلۡطٰنٍ اَتٰهُمۡ ۙ اِنۡ فِیۡ صُدُوۡرِهِمۡ اِلَّا كِبۡرٌ مَّا هُمۡ بِبَالِغِیۡهِ ۚ فَاسۡتَعِذۡ بِاللّٰهِ ؕ اِنَّهٗ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ ﴿۵۶﴾

নিশ্চয় যারা তাদের নিকট আসা কোন দলীল- প্রমাণ ছাড়াই আল্লাহর নিদর্শনাবলী সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের অন্তরসমূহে আছে কেবল অহঙ্কার, তারা কিছুতেই সেখানে (সাফল্যের মনযিলে) পৌঁছবে না। কাজেই তুমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও, নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
৪০ : ৫৭ لَخَلۡقُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ اَكۡبَرُ مِنۡ خَلۡقِ النَّاسِ وَ لٰكِنَّ اَكۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ ﴿۵۷﴾

অবশ্যই আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করা মানুষ সৃষ্টি করার চেয়ে বড় বিষয়; কিন্তু অধিকাংশ মানুষই তা জানে না।
৪০ : ৫৮ وَ مَا یَسۡتَوِی الۡاَعۡمٰی وَ الۡبَصِیۡرُ ۬ۙ وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَ لَا الۡمُسِیۡٓءُ ؕ قَلِیۡلًا مَّا تَتَذَكَّرُوۡنَ ﴿۵۸﴾

আর সমান হয় না অন্ধ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি এবং যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আর যারা অপরাধী। তোমরা খুব সামান্যই উপদেশ গ্রহণ করে থাক।
৪০ : ৫৯ اِنَّ السَّاعَۃَ لَاٰتِیَۃٌ لَّا رَیۡبَ فِیۡهَا وَ لٰكِنَّ اَكۡثَرَ النَّاسِ لَا یُؤۡمِنُوۡنَ ﴿۵۹﴾

নিশ্চয় কিয়ামত আসবেই, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অধিকাংশ লোক ঈমান আনে না।
৪০ : ৬০ وَ قَالَ رَبُّكُمُ ادۡعُوۡنِیۡۤ اَسۡتَجِبۡ لَكُمۡ ؕ اِنَّ الَّذِیۡنَ یَسۡتَكۡبِرُوۡنَ عَنۡ عِبَادَتِیۡ سَیَدۡخُلُوۡنَ جَهَنَّمَ دٰخِرِیۡنَ ﴿۶۰﴾

আর তোমাদের রব বলেছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের জন্য সাড়া দেব। নিশ্চয় যারা অহঙ্কার বশতঃ আমার ইবাদাত থেকে বিমুখ থাকে, তারা অচিরেই লাঞ্ছিত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’
৪০ : ৬১ اَللّٰهُ الَّذِیۡ جَعَلَ لَكُمُ الَّیۡلَ لِتَسۡكُنُوۡا فِیۡهِ وَ النَّهَارَ مُبۡصِرًا ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَذُوۡ فَضۡلٍ عَلَی النَّاسِ وَ لٰكِنَّ اَكۡثَرَ النَّاسِ لَا یَشۡكُرُوۡنَ ﴿۶۱﴾

আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্য রাত বানিয়েছেন যাতে তোমরা তাতে বিশ্রাম করতে পার এবং দিনকে করেছেন আলোকোজ্জ্বল। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি বড়ই অনুগ্রহশীল; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।
৪০ : ৬২ ذٰلِكُمُ اللّٰهُ رَبُّكُمۡ خَالِقُ كُلِّ شَیۡءٍ ۘ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۫ۚ فَاَنّٰی تُؤۡفَكُوۡنَ ﴿۶۲﴾

তিনি আল্লাহ, তোমাদের রব; সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। সুতরাং তোমাদেরকে কোথায় ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে?
৪০ : ৬৩ كَذٰلِكَ یُؤۡفَكُ الَّذِیۡنَ كَانُوۡا بِاٰیٰتِ اللّٰهِ یَجۡحَدُوۡنَ ﴿۶۳﴾
![]()
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে, তাদেরকে এভাবেই ফিরিয়ে নেয়া হয়।
৪০ : ৬৪ اَللّٰهُ الَّذِیۡ جَعَلَ لَكُمُ الۡاَرۡضَ قَرَارًا وَّ السَّمَآءَ بِنَآءً وَّ صَوَّرَكُمۡ فَاَحۡسَنَ صُوَرَكُمۡ وَ رَزَقَكُمۡ مِّنَ الطَّیِّبٰتِ ؕ ذٰلِكُمُ اللّٰهُ رَبُّكُمۡ ۚۖ فَتَبٰرَكَ اللّٰهُ رَبُّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۶۴﴾

আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে স্থিতিশীল করেছেন এবং আসমানকে করেছেন ছাদ। আর তিনি তোমাদেরকে আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতিকে সুন্দর করেছেন এবং তিনি পবিত্র বস্তু থেকে তোমাদেরকে রিয্ক দান করেছেন। তিনিই আল্লাহ, তোমাদের রব। সুতরাং সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ কত বরকতময়;
৪০ : ৬৫ هُوَ الۡحَیُّ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ فَادۡعُوۡهُ مُخۡلِصِیۡنَ لَهُ الدِّیۡنَ ؕ اَلۡحَمۡدُ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۶۵﴾

তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। সুতরাং তোমরা দীনকে তাঁর জন্য একনিষ্ঠ করে তাঁকে ডাক। সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি সৃষ্টিকুলের রব।
৪০ : ৬৬ قُلۡ اِنِّیۡ نُهِیۡتُ اَنۡ اَعۡبُدَ الَّذِیۡنَ تَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ لَمَّا جَآءَنِیَ الۡبَیِّنٰتُ مِنۡ رَّبِّیۡ ۫ وَ اُمِرۡتُ اَنۡ اُسۡلِمَ لِرَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۶۶﴾

বল, ‘যেহেতু আমার রবের পক্ষ থেকে আমার কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি এসেছে, তাই তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে আহবান কর, নিশ্চয় তাদের ইবাদাত করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে। আর সৃষ্টিকুলের রবের নিকট আত্মসমর্পণ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি’।
৪০ : ৬৭ هُوَ الَّذِیۡ خَلَقَكُمۡ مِّنۡ تُرَابٍ ثُمَّ مِنۡ نُّطۡفَۃٍ ثُمَّ مِنۡ عَلَقَۃٍ ثُمَّ یُخۡرِجُكُمۡ طِفۡلًا ثُمَّ لِتَبۡلُغُوۡۤا اَشُدَّكُمۡ ثُمَّ لِتَكُوۡنُوۡا شُیُوۡخًا ۚ وَ مِنۡكُمۡ مَّنۡ یُّتَوَفّٰی مِنۡ قَبۡلُ وَ لِتَبۡلُغُوۡۤا اَجَلًا مُّسَمًّی وَّ لَعَلَّكُمۡ تَعۡقِلُوۡنَ ﴿۶۷﴾

তিনিই তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর শুক্রবিন্দু থেকে, তারপর ‘আলাকা’* থেকে। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে শিশুরূপে বের করে আনেন। তারপর যেন তোমরা তোমাদের যৌবনে পদার্পণ কর, অতঃপর যেন তোমরা বৃদ্ধ হয়ে যাও। আর তোমাদের কেউ কেউ এর পূর্বেই মারা যায়। আর যাতে তোমরা নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে যাও। আর যাতে তোমরা অনুধাবন কর।
৪০ : ৬৮ هُوَ الَّذِیۡ یُحۡیٖ وَ یُمِیۡتُ ۚ فَاِذَا قَضٰۤی اَمۡرًا فَاِنَّمَا یَقُوۡلُ لَهٗ كُنۡ فَیَكُوۡنُ ﴿۶۸﴾

তিনিই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দেন। আর তিনি যখন কোন কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি এজন্য বলেন ‘হও’, ফলে তা হয়ে যায়।
৪০ : ৬৯ اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ یُجَادِلُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِ اللّٰهِ ؕ اَنّٰی یُصۡرَفُوۡنَ ﴿ۖۛۚ۶۹﴾

তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলী সম্পর্কে বাকবিতন্ডা করে? তাদেরকে কোথায় ফিরানো হচ্ছে?
৪০ : ৭০ الَّذِیۡنَ كَذَّبُوۡا بِالۡكِتٰبِ وَ بِمَاۤ اَرۡسَلۡنَا بِهٖ رُسُلَنَا ۟ۛ فَسَوۡفَ یَعۡلَمُوۡنَ ﴿ۙ۷۰﴾

যারা কিতাব এবং আমার রাসূলগণকে যা দিয়ে আমি প্রেরণ করেছি তা অস্বীকার করে, অতএব তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।
৪০ : ৭১ اِذِ الۡاَغۡلٰلُ فِیۡۤ اَعۡنَاقِهِمۡ وَ السَّلٰسِلُ ؕ یُسۡحَبُوۡنَ ﴿ۙ۷۱﴾
![]()
যখন তাদের গলদেশে বেড়ী ও শিকল থাকবে, তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে-
৪০ : ৭২ فِی الۡحَمِیۡمِ ۬ۙ ثُمَّ فِی النَّارِ یُسۡجَرُوۡنَ ﴿ۚ۷۲﴾
![]()
ফুটন্ত পানিতে, অতঃপর তাদেরকে আগুনে পোড়ানো হবে।
৪০ : ৭৩ ثُمَّ قِیۡلَ لَهُمۡ اَیۡنَ مَا كُنۡتُمۡ تُشۡرِكُوۡنَ ﴿ۙ۷۳﴾
![]()
তারপর তাদেরকে বলা হবে, ‘কোথায় তারা, যাদেরকে তোমরা শরীক করতে-
৪০ : ৭৪ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ ؕ قَالُوۡا ضَلُّوۡا عَنَّا بَلۡ لَّمۡ نَكُنۡ نَّدۡعُوۡا مِنۡ قَبۡلُ شَیۡئًا ؕ كَذٰلِكَ یُضِلُّ اللّٰهُ الۡكٰفِرِیۡنَ ﴿۷۴﴾

আল্লাহ ছাড়া’? তারা বলবে, ‘তারা তো আমাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে গেছে’, বরং এর পূর্বে আমরা কোন কিছুকে আহবান করিনি’। এভাবেই আল্লাহ কাফিরদেরকে পথভ্রষ্ট করেন।
৪০ : ৭৫ ذٰلِكُمۡ بِمَا كُنۡتُمۡ تَفۡرَحُوۡنَ فِی الۡاَرۡضِ بِغَیۡرِ الۡحَقِّ وَ بِمَا كُنۡتُمۡ تَمۡرَحُوۡنَ ﴿ۚ۷۵﴾

এটা এ জন্য যে, তোমরা যমীনে অযথা উল্লাস করতে এবং এজন্য যে, তোমরা অহঙ্কার করতে।
৪০ : ৭৬ اُدۡخُلُوۡۤا اَبۡوَابَ جَهَنَّمَ خٰلِدِیۡنَ فِیۡهَا ۚ فَبِئۡسَ مَثۡوَی الۡمُتَكَبِّرِیۡنَ ﴿۷۶﴾

তোমরা জাহান্নামের দরজাসমূহ দিয়ে প্রবেশ কর চিরকাল তাতে অবস্থানের জন্য। অতএব অহঙ্কারীদের বাসস্থান কতইনা নিকৃষ্ট!
৪০ : ৭৭ فَاصۡبِرۡ اِنَّ وَعۡدَ اللّٰهِ حَقٌّ ۚ فَاِمَّا نُرِیَنَّكَ بَعۡضَ الَّذِیۡ نَعِدُهُمۡ اَوۡ نَتَوَفَّیَنَّكَ فَاِلَیۡنَا یُرۡجَعُوۡنَ ﴿۷۷﴾

অতএব তুমি ধৈর্যধারণ কর। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আর আমি তাদেরকে যে ওয়াদা দেই, তার কিছু অংশ যদি তোমাকে দেখাই অথবা তোমাকে মৃত্যু দেই, তাহলেও তারা আমার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
৪০ : ৭৮ وَ لَقَدۡ اَرۡسَلۡنَا رُسُلًا مِّنۡ قَبۡلِكَ مِنۡهُمۡ مَّنۡ قَصَصۡنَا عَلَیۡكَ وَ مِنۡهُمۡ مَّنۡ لَّمۡ نَقۡصُصۡ عَلَیۡكَ ؕ وَ مَا كَانَ لِرَسُوۡلٍ اَنۡ یَّاۡتِیَ بِاٰیَۃٍ اِلَّا بِاِذۡنِ اللّٰهِ ۚ فَاِذَا جَآءَ اَمۡرُ اللّٰهِ قُضِیَ بِالۡحَقِّ وَ خَسِرَ هُنَالِكَ الۡمُبۡطِلُوۡنَ ﴿۷۸﴾

আর অবশ্যই আমি তোমার পূর্বে অনেক রাসূল পাঠিয়েছি। তাদের মধ্যে কারো কারো কাহিনী আমি তোমার কাছে বর্ণনা করেছি আর কারো কারো কাহিনী তোমার কাছে বর্ণনা করিনি। আর আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোন নিদর্শন নিয়ে আসা কোন রাসূলের উচিৎ নয়। তারপর যখন আল্লাহর নির্দেশ আসবে, তখন ন্যায়সঙ্গতভাবে ফয়সালা করা হবে। আর তখনই বাতিলপন্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত
৪০ : ৭৯ اَللّٰهُ الَّذِیۡ جَعَلَ لَكُمُ الۡاَنۡعَامَ لِتَرۡكَبُوۡا مِنۡهَا وَ مِنۡهَا تَاۡكُلُوۡنَ ﴿۫۷۹﴾

আল্লাহই তোমাদের জন্য গবাদি পশু সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা এদের কতকের উপর আরোহণ করতে পার আর কতক তোমরা খেতে পার।
৪০ : ৮০ وَ لَكُمۡ فِیۡهَا مَنَافِعُ وَ لِتَبۡلُغُوۡا عَلَیۡهَا حَاجَۃً فِیۡ صُدُوۡرِكُمۡ وَ عَلَیۡهَا وَ عَلَی الۡفُلۡكِ تُحۡمَلُوۡنَ ﴿ؕ۸۰﴾

আর এতে তোমাদের জন্য রয়েছে অনেক উপকার এবং যাতে তোমরা নিজদের অন্তরে যে প্রয়োজন অনুভব কর, ওগুলো দ্বারা তা পূর্ণ করতে পার। ওগুলোর উপর আর নৌযানের উপর তোমাদেরকে বহন করা হয়।
৪০ : ৮১ وَ یُرِیۡكُمۡ اٰیٰتِهٖ ٭ۖ فَاَیَّ اٰیٰتِ اللّٰهِ تُنۡكِرُوۡنَ ﴿۸۱﴾
![]()
আর তিনি তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শনাবলী দেখান। অতএব তোমরা আল্লাহর কোন্ কোন্ নিদর্শনকে অস্বীকার করবে?
৪০ : ৮২ اَفَلَمۡ یَسِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَیَنۡظُرُوۡا كَیۡفَ كَانَ عَاقِبَۃُ الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡ ؕ كَانُوۡۤا اَكۡثَرَ مِنۡهُمۡ وَ اَشَدَّ قُوَّۃً وَّ اٰثَارًا فِی الۡاَرۡضِ فَمَاۤ اَغۡنٰی عَنۡهُمۡ مَّا كَانُوۡا یَكۡسِبُوۡنَ ﴿۸۲﴾

তারা কি যমীনে ভ্রমণ করেনি, তা হলে তারা দেখত, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল? তারা যমীনে ছিল তাদের চেয়ে সংখ্যায় অধিক, আর শক্তিতে ও কীর্তিতে তাদের চেয়ে অধিক প্রবল। অতঃপর তারা যা অর্জন করত তা তাদের কোন কাজে আসেনি।
৪০ : ৮৩ فَلَمَّا جَآءَتۡهُمۡ رُسُلُهُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ فَرِحُوۡا بِمَا عِنۡدَهُمۡ مِّنَ الۡعِلۡمِ وَ حَاقَ بِهِمۡ مَّا كَانُوۡا بِهٖ یَسۡتَهۡزِءُوۡنَ ﴿۸۳﴾

তারপর তাদের কাছে যখন তাদের রাসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আসল তখন তারা তাদের নিজদের কাছে যে বিদ্যা ছিল তাতেই উৎফুল্ল হয়ে উঠল। আর যা নিয়ে তাঁরা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত তা-ই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।
৪০ : ৮৪ فَلَمَّا رَاَوۡا بَاۡسَنَا قَالُوۡۤا اٰمَنَّا بِاللّٰهِ وَحۡدَهٗ وَ كَفَرۡنَا بِمَا كُنَّا بِهٖ مُشۡرِكِیۡنَ ﴿۸۴﴾

তারপর তারা যখন আমার আযাব দেখল তখন বলল, ‘আমরা এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলাম, আর যাদেরকে আমরা তার সাথে শরীক করতাম তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করলাম’।
৪০ : ৮৫ فَلَمۡ یَكُ یَنۡفَعُهُمۡ اِیۡمَانُهُمۡ لَمَّا رَاَوۡا بَاۡسَنَا ؕ سُنَّتَ اللّٰهِ الَّتِیۡ قَدۡ خَلَتۡ فِیۡ عِبَادِهٖ ۚ وَ خَسِرَ هُنَالِكَ الۡكٰفِرُوۡنَ ﴿۸۵﴾

সুতরাং তারা যখন আমার আযাব দেখল তখন তাদের ঈমান তাদের কোন উপকার করল না। এটা আল্লাহর বিধান, তাঁর বান্দাদের মধ্যে চলে আসছে। আর তখনই কাফিররা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।