بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِطسٓمٓ ﴿۱﴾
৫০ : ১ قٓ ۟ۚ وَ الۡقُرۡاٰنِ الۡمَجِیۡدِ ۚ﴿۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

কাফ; মর্যাদাপূর্ণ কুরআনের কসম।
৫০ : ২ بَلۡ عَجِبُوۡۤا اَنۡ جَآءَهُمۡ مُّنۡذِرٌ مِّنۡهُمۡ فَقَالَ الۡكٰفِرُوۡنَ هٰذَا شَیۡءٌ عَجِیۡبٌ ۚ﴿۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

বরং তারা বিস্মিত হয়েছে যে, তাদের মধ্য থেকে একজন সতর্ককারী তাদের কাছে এসেছে। অতঃপর কাফিররা বলল, ‘এতো এক বিস্ময়কর বস্তু’!
৫০ : ৩ ءَاِذَا مِتۡنَا وَ كُنَّا تُرَابًا ۚ ذٰلِكَ رَجۡعٌۢ بَعِیۡدٌ ﴿۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

‘আমরা যখন মারা যাব এবং মাটিতে পরিণত হব তখনো কি (আমরা পুনরুত্থিত হব)? এ ফিরে যাওয়া সুদূরপরাহত’।
৫০ : ৪ قَدۡ عَلِمۡنَا مَا تَنۡقُصُ الۡاَرۡضُ مِنۡهُمۡ ۚ وَ عِنۡدَنَا كِتٰبٌ حَفِیۡظٌ ﴿۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অবশ্যই আমি জানি মাটি তাদের থেকে যতটুকু ক্ষয় করে। আর আমার কাছে আছে অধিক সংরক্ষণকারী কিতাব।
৫০ : ৫ بَلۡ كَذَّبُوۡا بِالۡحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمۡ فَهُمۡ فِیۡۤ اَمۡرٍ مَّرِیۡجٍ ﴿۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

বরং তারা সত্যকে অস্বীকার করেছে, যখনই তাদের কাছে সত্য এসেছে। অতএব তারা সংশয়যুক্ত বিষয়ের মধ্যে রয়েছে।
৫০ : ৬ اَفَلَمۡ یَنۡظُرُوۡۤا اِلَی السَّمَآءِ فَوۡقَهُمۡ كَیۡفَ بَنَیۡنٰهَا وَ زَیَّنّٰهَا وَ مَا لَهَا مِنۡ فُرُوۡجٍ ﴿۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারা কি তাদের উপরে আসমানের দিকে তাকায় না, কিভাবে আমি তা বানিয়েছি এবং তা সুশোভিত করেছি? আর তাতে কোন ফাটল নেই।
৫০ : ৭ وَ الۡاَرۡضَ مَدَدۡنٰهَا وَ اَلۡقَیۡنَا فِیۡهَا رَوَاسِیَ وَ اَنۡۢبَتۡنَا فِیۡهَا مِنۡ كُلِّ زَوۡجٍۭ بَهِیۡجٍ ۙ﴿۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর আমি যমীনকে বিস্তৃত করেছি, তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে প্রত্যেক প্রকারের সুদৃশ্য উদ্ভিদ উদগত করেছি।
৫০ : ৮ تَبۡصِرَۃً وَّ ذِكۡرٰی لِكُلِّ عَبۡدٍ مُّنِیۡبٍ ﴿۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আল্লাহ অভিমুখী প্রতিটি বান্দার জন্য জ্ঞান ও উপদেশ হিসেবে।
৫০ : ৯ وَ نَزَّلۡنَا مِنَ السَّمَآءِ مَآءً مُّبٰرَكًا فَاَنۡۢبَتۡنَا بِهٖ جَنّٰتٍ وَّ حَبَّ الۡحَصِیۡدِ ۙ﴿۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর আমি আসমান থেকে বরকতময় পানি নাযিল করেছি। অতঃপর তা দ্বারা আমি উৎপন্ন করি বাগ-বাগিচা ও কর্তনযোগ্য শস্যদানা।
৫০ : ১০ وَ النَّخۡلَ بٰسِقٰتٍ لَّهَا طَلۡعٌ نَّضِیۡدٌ ﴿ۙ۱۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর সমুন্নত খেজুরগাছ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর ছড়া,
৫০ : ১১ رِّزۡقًا لِّلۡعِبَادِ ۙ وَ اَحۡیَیۡنَا بِهٖ بَلۡدَۃً مَّیۡتًا ؕ كَذٰلِكَ الۡخُرُوۡجُ ﴿۱۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আমার বান্দাদের জন্য রিয্কস্বরূপ। আর আমি পানি দ্বারা মৃত শহর সঞ্জীবিত করি। এভাবেই উত্থান ঘটবে।
৫০ : ১২ كَذَّبَتۡ قَبۡلَهُمۡ قَوۡمُ نُوۡحٍ وَّ اَصۡحٰبُ الرَّسِّ وَ ثَمُوۡدُ ﴿ۙ۱۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তাদের পূর্বে সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল নূহের সম্প্রদায়, রাস্ এর অধিবাসী ও সামূদ সম্প্রদায়।
৫০ : ১৩ وَ عَادٌ وَّ فِرۡعَوۡنُ وَ اِخۡوَانُ لُوۡطٍ ﴿ۙ۱۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

‘আদ, ফির‘আউন ও লূত সম্প্রদায়।
৫০ : ১৪ وَّ اَصۡحٰبُ الۡاَیۡكَۃِ وَ قَوۡمُ تُبَّعٍ ؕ كُلٌّ كَذَّبَ الرُّسُلَ فَحَقَّ وَعِیۡدِ ﴿۱۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আইকার অধিবাসী ও তুব্বা‘ সম্প্রদায়। সকলেই রাসূলদেরকে মিথ্যাবাদী বলেছিল।
৫০ : ১৫ اَفَعَیِیۡنَا بِالۡخَلۡقِ الۡاَوَّلِ ؕ بَلۡ هُمۡ فِیۡ لَبۡسٍ مِّنۡ خَلۡقٍ جَدِیۡدٍ ﴿۱۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? বরং তারা নতুন সৃষ্টির বিষয়ে সন্দেহে নিপতিত।
৫০ : ১৬ وَ لَقَدۡ خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ وَ نَعۡلَمُ مَا تُوَسۡوِسُ بِهٖ نَفۡسُهٗ ۚۖ وَ نَحۡنُ اَقۡرَبُ اِلَیۡهِ مِنۡ حَبۡلِ الۡوَرِیۡدِ ﴿۱۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় তাও আমি জানি। আর আমি* তার গলার ধমনী হতেও অধিক কাছে।
৫০ : ১৭ اِذۡ یَتَلَقَّی الۡمُتَلَقِّیٰنِ عَنِ الۡیَمِیۡنِ وَ عَنِ الشِّمَالِ قَعِیۡدٌ ﴿۱۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

যখন ডানে ও বামে বসা দু’জন লিপিবদ্ধকারী পরস্পর গ্রহণ করবে।
৫০ : ১৮ مَا یَلۡفِظُ مِنۡ قَوۡلٍ اِلَّا لَدَیۡهِ رَقِیۡبٌ عَتِیۡدٌ ﴿۱۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

সে যে কথাই উচ্চারণ করে তার কাছে সদা উপস্থিত সংরক্ষণকারী রয়েছে।
৫০ : ১৯ وَ جَآءَتۡ سَكۡرَۃُ الۡمَوۡتِ بِالۡحَقِّ ؕ ذٰلِكَ مَا كُنۡتَ مِنۡهُ تَحِیۡدُ ﴿۱۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর মৃত্যুর যন্ত্রণা যথাযথই আসবে। যা থেকে তুমি পলায়ন করতে চাইতে।
৫০ : ২০ وَ نُفِخَ فِی الصُّوۡرِ ؕ ذٰلِكَ یَوۡمُ الۡوَعِیۡدِ ﴿۲۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে। এটাই হল প্রতিশ্রুত দিন।
৫০ : ২১ وَ جَآءَتۡ كُلُّ نَفۡسٍ مَّعَهَا سَآئِقٌ وَّ شَهِیۡدٌ ﴿۲۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর প্রত্যেক ব্যক্তি উপস্থিত হবে, তার সাথে থাকবে একজন চালক ও একজন সাক্ষী।
৫০ : ২২ لَقَدۡ كُنۡتَ فِیۡ غَفۡلَۃٍ مِّنۡ هٰذَا فَكَشَفۡنَا عَنۡكَ غِطَآءَكَ فَبَصَرُكَ الۡیَوۡمَ حَدِیۡدٌ ﴿۲۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অবশ্যই তুমি এ দিবস সম্পর্কে উদাসীন ছিলে, অতএব আমি তোমার পর্দা তোমার থেকে উন্মোচন করে দিলাম। ফলে আজ তোমার দৃষ্টি খুব প্রখর।
৫০ : ২৩ وَ قَالَ قَرِیۡنُهٗ هٰذَا مَا لَدَیَّ عَتِیۡدٌ ﴿ؕ۲۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর তার সাথী (ফেরেশতা) বলবে, এই তো আমার কাছে (আমল নামা) প্রস্তুত।
৫০ : ২৪ اَلۡقِیَا فِیۡ جَهَنَّمَ كُلَّ كَفَّارٍ عَنِیۡدٍ ﴿ۙ۲۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তোমরা জাহান্নামে নিক্ষেপ কর প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে,
৫০ : ২৫ مَّنَّاعٍ لِّلۡخَیۡرِ مُعۡتَدٍ مُّرِیۡبِۣ ﴿ۙ۲۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

কল্যাণকর কাজে প্রবল বাধাদানকারী সীমালঙ্ঘনকারী, সন্দেহ পোষণকারীকে।
৫০ : ২৬ الَّذِیۡ جَعَلَ مَعَ اللّٰهِ اِلٰـهًا اٰخَرَ فَاَلۡقِیٰهُ فِی الۡعَذَابِ الشَّدِیۡدِ ﴿۲۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

যে আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ গ্রহণ করেছিল, তোমরা তাকে কঠিন আযাবে নিক্ষেপ কর।
৫০ : ২৭ قَالَ قَرِیۡنُهٗ رَبَّنَا مَاۤ اَطۡغَیۡتُهٗ وَ لٰكِنۡ كَانَ فِیۡ ضَلٰلٍۭ بَعِیۡدٍ ﴿۲۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তার সঙ্গী (শয়তান) বলবে, ‘হে আমাদের ‘রব’, আমি তাকে বিদ্রোহী করে তুলিনি, বরং সে নিজেই ছিল সুদূর পথভ্রষ্টতার মধ্যে’।
৫০ : ২৮ قَالَ لَا تَخۡتَصِمُوۡا لَدَیَّ وَ قَدۡ قَدَّمۡتُ اِلَیۡكُمۡ بِالۡوَعِیۡدِ ﴿۲۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আল্লাহ বলবেন, ‘তোমরা আমার কাছে বাক-বিতন্ডা করো না। অবশ্যই আমি পূর্বেই তোমাদেরকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম’।
৫০ : ২৯ مَا یُبَدَّلُ الۡقَوۡلُ لَدَیَّ وَ مَاۤ اَنَا بِظَلَّامٍ لِّلۡعَبِیۡدِ ﴿۲۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আমার কাছে কথা রদবদল হয় না, আর আমি বান্দার প্রতি যুলমকারীও নই’।
৫০ : ৩০ یَوۡمَ نَقُوۡلُ لِجَهَنَّمَ هَلِ امۡتَلَاۡتِ وَ تَقُوۡلُ هَلۡ مِنۡ مَّزِیۡدٍ ﴿۳۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

সেদিন আমি জাহান্নামকে বলব, ‘তুমি কি পরিপূর্ণ হয়েছ’? আর সে বলবে, ‘আরো বেশি আছে কি’?
৫০ : ৩১ وَ اُزۡلِفَتِ الۡجَنَّۃُ لِلۡمُتَّقِیۡنَ غَیۡرَ بَعِیۡدٍ ﴿۳۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর জান্নাতকে মুত্তাকীদের অদূরে, কাছেই আনা হবে।
৫০ : ৩২ هٰذَا مَا تُوۡعَدُوۡنَ لِكُلِّ اَوَّابٍ حَفِیۡظٍ ﴿ۚ۳۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

এটাই, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল। প্রত্যেক আল্লাহ অভিমুখী অধিক সংরক্ষণশীলদের জন্য।
৫০ : ৩৩ مَنۡ خَشِیَ الرَّحۡمٰنَ بِالۡغَیۡبِ وَ جَآءَ بِقَلۡبٍ مُّنِیۡبِۣ ﴿ۙ۳۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

যে না দেখেই রহমানকে ভয় করত এবং বিনীত হৃদয়ে উপস্থিত হত।
৫০ : ৩৪ ادۡخُلُوۡهَا بِسَلٰمٍ ؕ ذٰلِكَ یَوۡمُ الۡخُلُوۡدِ ﴿۳۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তোমরা তাতে শান্তির সাথে প্রবেশ কর। এটাই স্থায়িত্বের দিন।
৫০ : ৩৫ لَهُمۡ مَّا یَشَآءُوۡنَ فِیۡهَا وَلَدَیۡنَا مَزِیۡدٌ ﴿۳۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

তারা যা চাইবে, সেখানে তাদের জন্য তাই থাকবে এবং আমার কাছে রয়েছে আরও অধিক।
৫০ : ৩৬ وَ كَمۡ اَهۡلَكۡنَا قَبۡلَهُمۡ مِّنۡ قَرۡنٍ هُمۡ اَشَدُّ مِنۡهُمۡ بَطۡشًا فَنَقَّبُوۡا فِی الۡبِلَادِ ؕ هَلۡ مِنۡ مَّحِیۡصٍ ﴿۳۶﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আমি তাদের পূর্বে বহু প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছি যারা পাকড়াও করার ক্ষেত্রে এদের তুলনায় ছিল প্রবলতর, তারা দেশ-বিদেশ চষে বেড়াত। তাদের কি কোন পলায়নস্থল ছিল?
৫০ : ৩৭ اِنَّ فِیۡ ذٰلِكَ لَذِكۡرٰی لِمَنۡ كَانَ لَهٗ قَلۡبٌ اَوۡ اَلۡقَی السَّمۡعَ وَ هُوَ شَهِیۡدٌ ﴿۳۷﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

নিশ্চয় এতে উপদেশ রয়েছে তার জন্য, যার রয়েছে অন্তর অথবা যে নিবিষ্টচিত্তে শ্রবণ করে।
৫০ : ৩৮ وَ لَقَدۡ خَلَقۡنَا السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ وَ مَا بَیۡنَهُمَا فِیۡ سِتَّۃِ اَیَّامٍ ٭ۖ وَّ مَا مَسَّنَا مِنۡ لُّغُوۡبٍ ﴿۳۸﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আর অবশ্যই আমি আসমানসমূহ ও যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যস্থিত সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছি। আর আমাকে কোনরূপ ক্লান্তি স্পর্শ করেনি।
৫০ : ৩৯ فَاصۡبِرۡ عَلٰی مَا یَقُوۡلُوۡنَ وَ سَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ قَبۡلَ طُلُوۡعِ الشَّمۡسِ وَ قَبۡلَ الۡغُرُوۡبِ ﴿ۚ۳۹﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

অতএব এরা যা বলে, তাতে তুমি ধৈর্যধারণ কর এবং সূর্য উদয়ের পূর্বে ও অস্তমিত হওয়ার পূর্বে তুমি তোমার রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠ কর।
৫০ : ৪০ وَ مِنَ الَّیۡلِ فَسَبِّحۡهُ وَ اَدۡبَارَ السُّجُوۡدِ ﴿۴۰﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

এবং রাতের একাংশেও তুমি তাঁর তাসবীহ পাঠ কর এবং সালাতের পশ্চাতেও।
৫০ : ৪১ وَ اسۡتَمِعۡ یَوۡمَ یُنَادِ الۡمُنَادِ مِنۡ مَّكَانٍ قَرِیۡبٍ ﴿ۙ۴۱﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

মনোনিবেশ কর, যেদিন একজন ঘোষক নিকটবর্তী কোন স্থান থেকে ডাকতে থাকবে।
৫০ : ৪২ یَّوۡمَ یَسۡمَعُوۡنَ الصَّیۡحَۃَ بِالۡحَقِّ ؕ ذٰلِكَ یَوۡمُ الۡخُرُوۡجِ ﴿۴۲﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

সেদিন তারা সত্যিসত্যিই মহাচিৎকার শুনবে। সেটিই উত্থিত হবার দিন।
৫০ : ৪৩ اِنَّا نَحۡنُ نُحۡیٖ وَ نُمِیۡتُ وَ اِلَیۡنَا الۡمَصِیۡرُ ﴿ۙ۴۳﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

আমিই জীবন দেই এবং আমিই মৃত্যু ঘটাই, আর আমার দিকেই চূড়ান্ত প্রত্যাবর্তন।
৫০ : ৪৪ یَوۡمَ تَشَقَّقُ الۡاَرۡضُ عَنۡهُمۡ سِرَاعًا ؕ ذٰلِكَ حَشۡرٌ عَلَیۡنَا یَسِیۡرٌ ﴿۴۴﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

সেদিন তাদের থেকে যমীন বিদীর্ণ হবে এবং লোকেরা দিগ্বিদিক্ ছুটাছুটি করতে থাকবে। এটি এমন এক সমাবেশ যা আমার পক্ষে অতীব সহজ।
৫০ : ৪৫ نَحۡنُ اَعۡلَمُ بِمَا یَقُوۡلُوۡنَ وَ مَاۤ اَنۡتَ عَلَیۡهِمۡ بِجَبَّارٍ ۟ فَذَكِّرۡ بِالۡقُرۡاٰنِ مَنۡ یَّخَافُ وَعِیۡدِ ﴿۴۵﴾
صٓ و القران ذی الذكر ﴿۱﴾

এরা যা বলে আমি তা সবচেয়ে ভাল জানি। আর তুমি তাদের উপর কোন জোর- জবরদস্তিকারী নও। সুতরাং যে আমার ধমককে ভয় করে তাকে কুরআনের সাহায্যে উপদেশ দাও।